Advertisement

Nayana Banerjee: মমতার হাত ছাড়তে চলেছেন নয়নাও? গতিবিধি যা চলছে...

সব মিলিয়ে মমতা শিবিরে আরও একটি ভাঙনের ইঙ্গিত মিলছে। যদিও রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প, তাই এখনই চূড়ান্ত ভাবে কিছু বলা যায় না। তবে গতিপ্রকৃতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে বদলের ইঙ্গিত বেশ জোরাল।

নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 09 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:43 AM IST
  • মমতার প্রতি নয়নার দুর্বলতা আছে
  • শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ নয়নার
  • আরও সময় চেয়েছেন বিদ্রোহী সাংসদরা 

নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক গতিবিধি কী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত কি ছাড়তে চলেছেন? মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের শিবিরের অন্যতম নেতা। নয়নার রাজনৈতিক ভবিষ্যত্‍ নিয়ে সুদীপ একটি সংবাদমাধ্যমে যে মন্তব্য করলেন, তাতে নয়নার মমতা শিবির ত্যাগের জল্পনা জোরাল ইঙ্গিত মিলল।

মমতার প্রতি নয়নার দুর্বলতা আছে

নয়না ইতিমধ্যেই নাকি একাধিক বার প্রধানমন্ত্রী মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন। সঙ্গে তাঁর স্বামী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন। সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেই তথ্য জানালেন। সুদীপের কথায়, 'আমার স্ত্রী নয়নার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি দুর্বলতা আছে। সে সেই দলেই আছে। সৌগত রায় ও তথাগত রায় তো একই বাড়িতে থাকেন পাশাপাশি। নয়নার কাজের পরিধিটা সম্পূর্ণ ভাবেই চৌরঙ্গি বিধানসভা কেন্দ্রিক। এ বারও যখন আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলাম, অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলছিলাম, একবার নয়, একাধিকবার নয়না আমার সঙ্গে ছিল। ওকে অমিত শাহ একবার প্রশ্ন করেছিল, এ বারে বিধানসভায় জিততে কেমন কষ্ট হয়েছে? তাতে নয়না অমিত শাহকে বলেন, আপনি যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন, তাতে তো নিশ্চয়ই কিছুটা কষ্ট হয়েছে।'

শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ নয়নার

তা হলে কি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও মমতা শিবির ছেড়ে দিতে চলেছেন? এই প্রশ্নেরও তাত্‍পর্যপূর্ণ উত্তর দিলেন সুদীপ। তাঁর বক্তব্য, নয়না সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বলছেন, 'নয়না মমতার সঙ্গে থাকবে কিনা, সেটা সম্পূর্ণ ভাবে তার মতের উপর ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু নয়না সম্প্রতি শুভেন্দুর সঙ্গে আলাপআলোচনা করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সে টা তার প্রশাসনিক ব্যাপারও হতে পারে।'

সব মিলিয়ে মমতা শিবিরে আরও একটি ভাঙনের ইঙ্গিত মিলছে। যদিও রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প, তাই এখনই চূড়ান্ত ভাবে কিছু বলা যায় না। তবে গতিপ্রকৃতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে বদলের ইঙ্গিত বেশ জোরাল।

Advertisement

আরও সময় চেয়েছেন বিদ্রোহী সাংসদরা 

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙন ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাত আরও জোরাল হয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পাঠানো দলত্যাগ সংক্রান্ত নোটিসের জবাব দিতে আরও দু’সপ্তাহ সময় চাইলেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ছিল তাঁদের জবাব জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী, ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে অযোগ্য ঘোষণার আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১৮ জুন এই সংক্রান্ত আবেদন জমা পড়ে। তৃণমূলের ২৭ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ২০ জন দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে NCPI-তে যোগ দেন এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে সমর্থন জানান বলে অভিযোগ। এরপরই তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি ওঠে। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, আইনি জবাব তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র এখনও সংগ্রহ করছেন তাঁদের আইনজীবীরা। তাই স্পিকারের কাছে আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন জানানো হচ্ছে। এর আগে তাঁদের চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর নতুন করে সময় চাইলেন বিদ্রোহী সাংসদরা।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের দাবি, বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেরাই জানেন না তাঁরা কোন দলে রয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি-বিরোধী ভোটে জিতে এখন তাঁরা বিজেপির স্বার্থে কাজ করছেন।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement