
উপলক্ষ, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে পথে প্রতিবাদ। সেই মিছিল ঘরেই কলকাতায় ধুন্ধুমার। কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে বামেদের মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ইট-জুতো-বোতল। পুলিশ সূত্রের খবর, মিছিলে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল 'বহিরাগত'রাও।
শুক্রবার সন্ধ্যায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ধর্মতলা চত্বর। সন্ধে ৬টা নাগাদ ডোরিনা ক্রসিংয়ের সামনে ভিড় করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের রানি রাসমনি অ্যাভিনিউয়ের দিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। তখনই ক্ষিপ্ত জনতা ইট-বোতল-জুতো ছোড়ে। হামলার শিকার হন সাংবাদিকরা। একাধিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা প্রহৃত হন। লাঠি উঁচিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কলকাতায় নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে পথে নামে বামেদের ৮টি সংগঠন এবং সিজেপি। শিয়ালদা থেকে শুরু হয় এই মিছিল। গন্তব্য ধর্মতলা। মিছিলে ভিড় ছিল দেখার মতো।
এ দিন সংবিধান ক্লাবে সিজেপির প্রতিনিধি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জেপি নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলে এই বৈঠক। বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে রাঙ্কা জানান, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি নিয়ে শনিবার পর্যন্ত সময় চেয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। তিনি আরও জানান,'আত্মঘাতী নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে সমস্ত এফআইআর ও আইনি মামলা তুলে নেওয়ার দাবিতে সায় দিয়েছে সরকার'।
শুক্রবার আজতকে মুখ খোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দিলে আন্দোলন অন্য মাত্রা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বলেন,'যতক্ষণ না ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করছেন, আমাদের আন্দোলন যেমন চলছে তেমনই চলবে। ইস্তফা না দিলে দেশের কোটি কোটি ছাত্র ও যুব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদত্যাগের দাবি তুলতে শুরু করবেন'।
অচলাবস্থা কাটাতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন থেকে শুরু করে শিক্ষা সচিব বদল, একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। এমনকি ভিডিও বার্তা দিয়ে আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।