Advertisement

কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াবেন মমতা, ডানা ছাঁটা হবে I-PAC'এর, কালীঘাট তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি ঠিক কী কী?

ভোটের পর এখনও দু'মাস কাটেনি, তার আগেই ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে TMC। এমতাবস্থায় দলকে পুনর্গঠন করতে পদক্ষেপ নিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।

কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াবেন মমতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াবেন মমতা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Jun 2026,
  • अपडेटेड 7:54 AM IST
  • ৪ মে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই কার্যত ঘেঁটে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
  • ভোটের পর এখনও দু'মাস কাটেনি, তার আগেই ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির।
  • যে যে বিষয়ে শীঘ্রই পরিবর্তন আনা হবে তাঁর মূল কেন্দ্রে রয়েছেন স্বাভাবিক ভাবেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।

৪ মে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই কার্যত ঘেঁটে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের পর এখনও দু'মাস কাটেনি, তার আগেই ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। অবস্থা এমন যে, তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই থাকছে না মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের হাতে! তবে অবশেষে পদক্ষেপ নিচ্ছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। এবার কালীঘাটে শুরু হয়েছে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া। সূত্রের দাবি, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের (I-PAC) উপর নির্ভরতা কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

যে যে বিষয়ে শীঘ্রই পরিবর্তন আনা হবে তাঁর মূল কেন্দ্রে রয়েছেন স্বাভাবিক ভাবেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পরিবর্তনের অংশ হিসেবে টিএমসি চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নীচুতলার কর্মীদের সঙ্গে নিজেদের যোগাযোগ বৃদ্ধি করবেন।  দলীয় কার্যালয়গুলিতে নিয়মিত বৈঠক করবেন দলের শর্ষ নেতারা। সূত্রের দাবি, কালীঘাটে টিএমসির কার্যালয়, অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন,  রবিবার ছাড়া প্রতিদিন সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে। দিনের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন।

পাশাপাশি, কলকাতার তৃণমূল ভবনেও আরও একটি জনসংযোগ কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সংগঠনকে আবার ক্যাডারভিত্তিক কাঠামোয় ফিরিয়ে আনা। কারণ দল মনে করছে, শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে চলা সম্ভব নয়। দলকে  ক্যাডারভিত্তিক কাঠামোয় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আই-প্যাকের ভূমিকা কমানোর বিষয়টিও বিবেচনা করছে TMC। 

বস্তুত, নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিদ্রোহী তৃণমূল শিবির তো বটেই,  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীরও একাধিক নেতা এই রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থার সমালোচনা করেছেন। দলের অন্দরের এক সূত্রের দাবি, “২০১৯ সালের আগে মাত্র ২০ শতাংশ কাজ আউটসোর্স করা হত, পরে তা ক্রমশ বেড়েছে।” তবে এখন দল আবার নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিকে মজবুত করার পথে ফিরছে।

‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি গ্রহণ করেছে TMC

Advertisement

তৃণমূলের অন্দরে এখনও চোরা বিদ্রোহ চলছে। এমতাবস্থায় নেতৃত্ব বর্তমানে নিয়োগ ও শৃঙ্খলামূলক পদক্ষেপের ক্ষেত্রেও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। অভিযুক্ত নেতা বা কর্মীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। TMC-র এক নেতা বলেন, “খুব গুরুতর কিছু না ঘটলে আমরা শোকজে যাচ্ছি না। শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটিও এখন অপেক্ষা করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।” সূত্রগুলির দাবি, অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে দল এখন আত্মসমালোচনা এবং কর্মীদের সুরক্ষার উপরই জোর দিচ্ছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement