Advertisement

বেহালায় পরিত্যক্ত জমিতে লক্ষাধিক বালতি, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনিক নজরদারি

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব প্রথম ঘটনাটির খোঁজ পান এবং এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছন দলের দক্ষিণ কলকাতা শাখার সম্পাদক তারক ব্যানার্জি। তাঁর দাবি, জমির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই বালতিগুলি নাকি স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর কৃষ্ণা সিং বিক্রি করেছিলেন। যদিও এই অভিযোগের সমর্থনে এখনও কোনও সরকারি নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
স্বপন কুমার মুখার্জি
  • কলকাতা,
  • 09 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:12 PM IST
  • বেহালার ১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে রায়বাহাদুর রোড সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বেসরকারি সংস্থার জমি থেকে বিপুল পরিমাণ কলকাতা পুরসভার বর্জ্য সংগ্রহের বালতি উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
  • স্থানীয় সূত্রে দাবি, সেখানে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ বালতি মজুত ছিল, যদিও সরকারি ভাবে এ বিষয়ে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি।

বেহালার ১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে রায়বাহাদুর রোড সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বেসরকারি সংস্থার জমি থেকে বিপুল পরিমাণ কলকাতা পুরসভার বর্জ্য সংগ্রহের বালতি উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, সেখানে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ বালতি মজুত ছিল, যদিও সরকারি ভাবে এ বিষয়ে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব প্রথম ঘটনাটির খোঁজ পান এবং এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছন দলের দক্ষিণ কলকাতা শাখার সম্পাদক তারক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, জমির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই বালতিগুলি নাকি স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর কৃষ্ণা সিং বিক্রি করেছিলেন। যদিও এই অভিযোগের সমর্থনে এখনও কোনও সরকারি নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, শহর পরিষ্কার রাখার কাজে ব্যবহৃত সরকারি সামগ্রী একটি বেসরকারি জমিতে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণে জমা হল, কিংবা তা সেখানে পৌঁছল কীভাবেই বা? বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি কোনও জনপ্রতিনিধি কীভাবে বিক্রি করতে পারেন, সেই ক্ষমতা তাঁকে কে দিল, এবং আদৌ কোনও অনুমোদন ছিল কি না, এই সব প্রশ্নের উত্তর জরুরি।

এদিকে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে কড়া প্রতিক্রিয়া। বিরোধী শিবিরের দাবি, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘটছে এবং এই ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যদিকে শাসকদল এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

পুরসভা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের করের টাকায় কেনা সামগ্রী যদি পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার না হয়ে এভাবে পড়ে থাকে বা অন্যত্র চলে যায়, তাহলে তা প্রশাসনিক ব্যর্থতা বলেই মনে করছেন অনেকেই।

Advertisement

রিপোর্টারঃ সঞ্জয় কুমার মাঝি

 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement