Advertisement

Bengal School Textbooks: বাংলার স্কুলের বই থেকে ছাঁটাই 'বাংলাদেশি শব্দ', কী যুক্তি সরকারের?

অগাস্টে পাঠ্যক্রম কমিটির তিন দিনের বৈঠকের পর থেকেই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই বৈঠকে কমিটির সদস্যেরা পাঠ্যক্রমে কিছু শব্দকে অস্বাভাবিকভাবে ঢোকানো হয়েছে বলে চিহ্নিত করেন।

বাংলার সিলেবাসে বদলবাংলার সিলেবাসে বদল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 01 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:38 PM IST
  • পাঠ্যক্রম থেকে বাদ একাধিক শব্দ।
  • ওই শব্দগুলির সঙ্গে বাংলার যোগ নেই বলে দাবি।

বিরোধী থাকাকালীনই স্কুলপাঠ্যে একাধিক শব্দ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল বিজেপি। দাবি করেছিল, ওই সব শব্দগুলি বাংলাদেশের 'বাংলা প্রভাবিত'। এবার প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক অর্থাৎ প্রথম থেকে দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের কিছু শব্দ বদলের প্রস্তাব। রাজ্য সরকারের সূত্রের দাবি, পাঠ্যবইয়ের ভাষাকে পশ্চিমবঙ্গের প্রচলিত এবং প্রমিত বাংলা ব্যবহারের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই এই কাটছাঁট। সমালোচকদের একাংশের বক্তব্য, এর মাধ্যমে রাজনৈতিক শুদ্ধিকরণ এবং সাংস্কৃতিক হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাঠ্যক্রম কমিটির চেয়ারম্যান দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়ের অবশ্য যুক্তি,'রাজা রামমোহন রায়, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, কেউই ওই শব্দগুলি ব্যবহার করেননি। তাই ওই শব্দগুলি পরিবর্তনের জন্য আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব'।

অগাস্টে পাঠ্যক্রম কমিটির তিন দিনের বৈঠকের পর থেকেই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই বৈঠকে কমিটির সদস্যেরা পাঠ্যক্রমে কিছু শব্দকে অস্বাভাবিকভাবে ঢোকানো হয়েছে বলে চিহ্নিত করেন। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যক্রমে যে সীমিত পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা হয়েছে, তার পরিধি সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের মধ্যে রাখার কথা। সেই পরিবর্তনের অংশ হিসাবেই শব্দভান্ডারে সংশোধন আনা হতে পারে।

স্কুলপাঠ্য থেকে কোন কোন শব্দ বাদ পড়তে পারে? তালিকায় রয়েছে পানি, রংধনু, কিতাব, ইমারত, আসমান, ফজর, গোসল, দোস্তের মতো শব্দ। তবে  এনিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাননি শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। তিনি বলেন,'পুরো বিষয়টি সিলেবাস কমিটি দেখছে। আমার কাছে সুপারিশ আসার পর এ ব্যাপারে বলতে পারব'। 

পাঠ্যক্রম কমিটির চেয়ারম্যান দেবাশিস চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে কিছু শব্দ পরিবর্তনের কথা ভাবা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিস্তারিত সুপারিশ রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। তিনি বলেন,'অষ্টম শ্রেণি থেকে সিঙ্গুর আন্দোলন বাদ দেওয়া হচ্ছে। ষষ্ঠ এবং অষ্টম শ্রেণিতে কন্যাশ্রী প্রকল্পও বাদ। আর যে সমস্ত শব্দ বিদেশি এবং শুনতে ভাল লাগে না, কানে স্বস্তি দেয় না এবং অবিভক্ত বাংলায় যুগ যুগ ধরে যেগুলির প্রচলন ছিল না, সেগুলিও বদলানোর চেষ্টা করা হবে।

Advertisement

'পানি' শব্দের উদাহরণ দিয়ে দেবাশিস যোগ করেন,'আমরা কখনও জলকে পানি বলিনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই শব্দগুলি পাঠ্যবইয়ে থাকার কোনও মানে নেই। আমরা প্রস্তাব তৈরি করছি। তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। তারপরে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে। শিক্ষামন্ত্রী যা বলেছেন, সেটা ঠিকই।'

Read more!
Advertisement
Advertisement