Advertisement

Makhanlal Sarkar: শুভেন্দুর শপথমঞ্চে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন PM মোদী, কে এই মাখনলাল সরকার?

ব্রিগেডে অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্চে দেখা যায় প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকারকে। মঞ্চেই তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা, কে এই মাখনলাল সরকার?

ব্রিগেডের মঞ্চে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন খোদ PM মোদীব্রিগেডের মঞ্চে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন খোদ PM মোদী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 May 2026,
  • अपडेटेड 11:55 AM IST
  • মঞ্চে দেখা যায় প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকারকে।
  • তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী।
  • তারপর থেকেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা, কে এই মাখনলাল সরকার?

শনিবার  ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান যেন 'চাঁদের হাট'। বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে প্রায় ২০ জন মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও, হাজির রয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন PM নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্চে দেখা যায় প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকারকে। মঞ্চেই তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা, কে এই মাখনলাল সরকার?

জানুন মাখনলাল সরকারের সম্পূর্ণ পরিচয়

৯৮ বছর বয়সী এই প্রবীণ বিজেপি নেতার বাড়ি শিলিগুড়িতে। তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনেরও অন্যতম মুখ। ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

১৯৮০ সালে বিজেপি গঠিত হওয়ার পর তিনি পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক সমন্বয়কারী হন। মাত্র এক বছরের মধ্যে তিনি প্রায় ১০,০০০ সদস্য বিজেপিতে যুক্ত করতে সাহায্য করেন।

১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেই সময়ে সাধারণত বিজেপি নেতারা এক পদে দু’বছরের বেশি থাকতেন না। সেই প্রেক্ষিতে মাখনলাল সরকারের এই দীর্ঘ দায়িত্ব পালন ছিল ব্যতিক্রমী সাফল্য।

অজানা তথ্য জেনে নিন

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীম ভট্টাচার্য জানান, দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ একসময় গ্রেফতার করেছিল  এই মাখনলাল সরকারকে। তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তা করেননি। পরে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। পরে মাখনলাল সরকার সেই গানটি শোনান বিচারককে। তা শুনে তাঁকে মুক্তি দেন বিচারক। সঙ্গে ফার্স্ট ক্লাস কামরায় মাখনলাল সরকারকে বাড়ি পাঠাতে নির্দেশ দেন পুলিশকে। সঙ্গে ১০০ টাকা দিতেও বলা হয়। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement