Advertisement

Rajib Banerjee On Abhishek: 'টিকিট বিক্রি করেছে', এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে 'বিদ্রোহ' রাজীবের

'মমতা বন্দোপাধ্যায় মাথায় হাত না দিলে কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিনত?' মমতার আশীর্বাদ পেলে ওঁর চেয়ে অনেক বড় নেতা হতে পারতাম'। এবার মুখ খুললেন মমতা তৃণমূলের নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেকের বিরুদ্ধে এবার সরব রাজীব।অভিষেকের বিরুদ্ধে এবার সরব রাজীব।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 17 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:05 PM IST
  • অভিষেককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজীব।
  • তাঁর দাবি, আইপ্যাক টিকিট বিক্রি করেছিল বিধানসভা ভোটে।

বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই টাকার বিনিময়ে বিধানসভার টিকিট বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল আইপ্যাকের বিরুদ্ধে। bangla.aajtak.in-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিজু দত্ত দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছ থেকে টাকা চেয়েছিল আইপ্যাক। এবার আইপ্যাকের সঙ্গে অভিষেকের নামও জুড়ে দিলেন মমতা তৃণমূলের হাওড়া সদরের সভাপতি রাজীব বন্দোপাধ্যায়। সেই রাজীবের বিস্ফোরক অভিযোগ, প্রত্যেকটা জেলায় যাদের চোখ দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেখত, তারাই দলটা শেষ করে দিয়েছে। ১০০টা আসনে টিকিট বিক্রি করেছে অভিষেক আর আইপ্যাক।

শুক্রবার একটি সংবাদ মাধ্যমে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,'ও (পড়ুন অভিষেক) আর আইপ্যাক মিলে টিকিট বিক্রি করেছে। এক একটা প্রার্থীর নাম বলে দেব। দলের ভরাডুবির জন্য দায়ী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। বিধানসভার ১০০টা আসনে খোঁজ নিয়ে দেখুন, কারা কারা কোথায় কোথায়, কীভাবে সব টিকিট পেয়েছে? তাদের যোগ্যতাই নেই। কোথাও অর্থের বিনিময়ে, কোথাও কাউকে তোষামোদ করে, কোথাও অন্য কিছুর বিনিময়ে, তারা টিকিট পেয়েছে। ওই সমস্ত আসনগুলিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয় হয়েছে'।

হারের জন্য সরাসরি অভিষেককে দায়ী করেছেন রাজীব। তাঁর কথায়,'যাঁরা সত্যিকারে দিদিকে ভালোবাসেন, তাঁরা কেউ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে চাইছেন না। কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায় এখনও অভিষেক, অভিষেক করে যাচ্ছেন। আমি দিদিকে হাতজোড় করে বলছি, দয়া করে আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঘের বাচ্চা বানাবেন না। এই অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের জন্যই আজকে দলটার এই অবস্থা! মমতা বন্দোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছেন। আর দলটা শেষ করার জন্য যদি কাউকে দায়ী করতে হয়, তিনি হলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়'। 

অভিষেকের কারণেই শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়েছেন বলেও দাবি রাজীবের। তাঁর কথায়,'শুধুমাত্র অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে নেতা বানাতে গিয়ে শুভেন্দুর মতো একটা বলিষ্ঠ নেতাকে দল ছাড়তে আমরা বাধ্য করেছি। শুধু তাই নয়, আমার রাজনৈতিক জীবন, পরিবার নষ্ট করেছে এই অভিষেক বন্দোপাধ্যায়'। 

তাঁকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী করার চেষ্টা হয়েছিল বলেও জানান রাজীব। তাঁর দাবি,'আমাকে বলা হল, নন্দীগ্রামে গিয়ে লড়ো। নন্দীগ্রাম শুভেন্দু অধিকারীর নিজের গড়। শুভেন্দুর সঙ্গে আমার ভাল বন্ধুত্ব। সেখানে আমাকে পাঠিয়ে চিরকালের মতো তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করার চেষ্টা করেছিল। আমি প্রত্যাখ্যান করায় সাংঘাতিকভাবে রেগে গিয়েছিল'।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement