Advertisement

Raju Pocket Paratha Raid: রাজুর পকেট পরোটার দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা, কী পাওয়া গেল?

সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ভাইরাল। ৩০ টাকায় দেন ৩টে পরোটা, আনলিমিটেড তরকারি আর একটা ডিম সেদ্ধ। সেই রাজুর পকেট পরোটার দোকানে এবার খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা। কী পেলেন আধিকারিকরা?

রাজু পকেট পরোটার দোকানে রেডরাজু পকেট পরোটার দোকানে রেড
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 31 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:07 AM IST
  • রাজুর পকেট পরোটার দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা
  • ৩০ টাকায় দেন ৩টে পরোটা, আনলিমিটেড তরকারি একটা ডিম সেদ্ধ
  • পরিদর্শনে কী পেলেন আধিকারিকরা?

সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাদে খাদ্যরসিকদের কাছে ভাইরাল রাজুর পকেট পরোটা। এবার সেই ভাইরাল পরোটা বিক্রেতার দোকানে হানা দিল রাজ্যের খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। মাত্র ৩০ টাকায় ৩টে পরোটা, আনলিমিটেড তরকারি আর একটা ডিম সেদ্ধ দেওয়া রাজু কি তাঁর দোকানে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখছেন? তা যাচাই করতেই পুরসভার আধিকারিকরা শনিবার সাতসকালে পৌঁছে গিয়েছিলেন NRS হাসপাতাল সংলগ্ন রাজুর পকেট পরোটার দোকানে।

জনপ্রিয় এই স্ট্রিট ফুড বিক্রেতার দোকানে কোনও ফুড লাইসেন্স নেই। সেক্ষেত্রে কি তবে বন্ধ হয়ে যাবে রাজুদার বিখ্যাত পকেট পরোটা? খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের দেখা গিয়েছে তাঁর দোকানের সমস্ত জিনিস খতিয়ে দেখতে। খাবারের গুণমান পরীক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। পরোটা বিক্রেতা রাজু ঘোষও তাঁদের কথা মতো পরোটা, তরকারি, ডিম সেদ্ধ রাখার পাত্রগুলি দেখান। 

খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানান, 'ওঁর খাবারগুলির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলি ল্যাব টেস্টিং হবে। তারপরই বলতে পারব খাবারের গুণমান সঠিক রয়েছে কি না।' রাজু বলেন, 'আমার ফুড লাইসেন্স নেই। কী ভাবে আবেদন করা যাবে, তা জানিয়েছেন ওঁরা। আমি সেটা আবেদন করব। স্যারেদের পরামর্শ মতো, ভবিষ্যতে একটি বড় জায়গায় নিজের দোকানটা খুলব। সব নিয়ম নিরাপত্তা মেনে চলব।'

আর কী কী পরামর্শ দিলেন পুরসভার আধিকারিকরা? রাজু বললেন, 'ওঁরা বলেছেন, লাল গামছা বদলে পরিষ্কার সাদা গামছা রাখতে, ডিম সেদ্ধগুলি আলাদা পাত্রে রাখতে। স্যানিটাইজার আলাদা করে রাখতে। কী কী মশলা ব্যবহার করি, সেগুলিও জানতে চেয়েছেন। আমি ময়দা মেখে বাড়ি থেকেই পরোটা বানিয়ে নিয়ে আসি রোজ। তরকারিও ঘরেই বানিয়ে আনি। প্রতিদিন আমার দোকানে হাসপাতালে রাত জাগা রোগীর পরিবারের লোকজন থেকে শুরু করে প্রায় ১০০ জন খেতে আসেন। তাঁদের স্বাস্থ্যের দিকটা খেয়াল রাখা দোকানদার হিসেবে আমার কর্তব্য। স্যারেরা আমায় পরামর্শ দিলেন, আমার খুব ভাল লাগল।'

Advertisement

রাস্তার ধারের খাবারের দোকানে খাবারের গুণমান, পরিচ্ছন্নতা এবং খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই কথা মাথায় রেখে পুজোর আগে থেকেই পাইস হোটেল, স্ট্রিট ফুডের দোকানে হানা দিচ্ছেন পুর আধিকারিকরা। তাতে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর চিত্র। কোথাও নর্দমার উপর চলছে রান্না, তো কোথাও আবার হলুদে মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিক। রান্নাঘর জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল ইঁদুর, আরশোলা, টিকটিকি এবং অজস্র মাছি। এমতাবস্থায় রাজুদার মতো জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড বিক্রেতার দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের পরিদর্শনের খবর স্বাভাবিকভাবেই চর্চায় এসেছে। 

সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই দেখা যায় রাজুদার পকেট পরোটার দোকানে ভিড় জমাচ্ছে একাধিক ফুড ব্লগার। তাঁর পকেট পরোটা খেতে আসেন দূর-দূরান্তের খাদ্যরসিক থেকে শুরু করে নিত্য অফিসযাত্রীরাও। ফলে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানে সকলেরই কৌতুহল ছিল, রাজুর পকেট পরোটা বন্ধ হয়ে যাবে না তো? যদিও তেমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পরোটা বিক্রেতা রাজু ঘোষকে। বাকিটা নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে জানাবেন পুর আধিকারিকরা।  

 

Read more!
Advertisement
Advertisement