Advertisement

Ratna Debnath: 'আজ আমি আর মমতা দু'জনেই সর্বহারা,' হঠাৎ এমনটা কেন বললেন BJP বিধায়ক রত্না?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর নিজেকে একই সারিতে রেখে BJP-র পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ বললেন, 'আমরা দু'জনেই আজ সর্বহারা।' তিনি জানিয়েছেন, সোমবার তিনি নবান্নের ১৪ তলায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন।

রত্না দেবনাথ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রত্না দেবনাথ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 25 May 2026,
  • अपडेटेड 5:47 PM IST
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর নিজেকে একই সারিতে রাখলেন রত্না দেবনাথ
  • BJP-র পানিহাটির বিধায়ক বৈঠক করলেন শুভেন্দুর সঙ্গে
  • নবান্নের ১৪ তলায় বৈঠক শেষে কী লিখলেন আরজি করের নির্যাতিতার মা?

সোমবার নবান্নের ১৪ তলায় গেলেন রত্না দেবনাথ। পানিহাটির BJP বিধায়ক হিসেবে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। যদিও তিনি নিজের সঙ্গে তুলনা টানলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেন? 

পানিহাটির BJP বিধায়কের পাশাপাশি রত্না দেবনাথের আরও একটি পরিচয়, তিনি আরজি করের নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের মা। শুভেন্দুর সঙ্গে নবান্নে বৈঠক শেষে এদিন তিনি লিখলেন, 'আজ আমি এবং মমতা দু'জনেই সর্বহারা।' 

রত্না দেবনাথের কথায়, 'আজ আমি এখন নবান্নের চোদ্দ তলায়, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রীর নাম মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী। সততার শক্তি অনেক। শুধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধৈর্য ধরে লড়াই করতে হয়।' এরপরই তাঁর সংযোজন, 'আজ আমি এবং মমতা দুজনেই সর্বহারা। আমি একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি, মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিজ্ঞায় ব্রতী হয়েছি। আর উনি চোদ্দ তোলার গদি হারিয়েছেন। অপেক্ষা করুন উনি, ওনার অপরাধী টিম, সবার আরও করুণ পরিণতি দেখতে পাবেন।' সবশেষে নিজেকে 'ডা. দেবনাথের গর্বিত মা' হিসেবে পরিচয় পানিহাটির বিধায়ক।  

সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণ মামলায় নতুন করে SIT গঠন করে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ঘটনার সময়ে তরুণী চিকিৎসক ডিনারের পরে কী করেছিলেন, কোথায় গিয়েছিলেন, তার পুরো ঘটনার সময়ক্রম ও ঘটনাপ্রবাহকে তদন্তে আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে SIT। আরজি কর মামলা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'নির্যাতিতার মাকে দু'জন পুলিশ অফিসার টাকা দিতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আমরা CBI তদন্তে যাচ্ছি না। টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছিল। ঘটনার সব পারিপার্শ্বিক দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোনও মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement