Advertisement

Government Employees Extension: অবসরপ্রাপ্তদের আর 'এক্সটেনশন' নয়, ৩ মাস আগেই নতুন নিয়োগ

এবারের বাজেটে রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি সরকার। বাজেটে সরকারি চাকরিতে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে বলে প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৩ শতাংশ পদ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে । এছাড়াও সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ, গ্রিন পুলিশ, এনভিএফ কর্মী, প্রাণীবন্ধু, প্রাণিমিত্রদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণাও করা হয়েছে। এবার নিয়োগ নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।

কর্মসংস্থানে গতি আনতে নতুন সার্কুলার নবান্নরকর্মসংস্থানে গতি আনতে নতুন সার্কুলার নবান্নর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Jul 2026,
  • अपडेटेड 9:48 AM IST

এবারের বাজেটে রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি সরকার। বাজেটে সরকারি চাকরিতে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে বলে প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৩ শতাংশ পদ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে । এছাড়াও সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ, গ্রিন পুলিশ, এনভিএফ কর্মী, প্রাণীবন্ধু, প্রাণিমিত্রদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণাও করা হয়েছে। এবার নিয়োগ নিয়ে নতুন  নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। 

রাজ্যের অনেক দফতরেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বা অবসর গ্রহণ করার পরও কর্মীদের নতুন করে নিয়োগ করা হয়। সেই প্রবণতা বন্ধ করতে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। বুধবার মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছেন।

নবান্ন সূত্রের খবর, কোনও আধিকারিকের অবসরের পর পদে আর মেয়াদবৃদ্ধি করা হবে না। এতে নতুনদের সুযোগ আটকে যায় এবং বিভাগীয় পদোন্নতিও ব্যাহত হয়। তাই প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখতেই অবসরের আগেই সেই পদ পূরণের পদক্ষেপে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

 মুখ্যসচিবের জারি করা সার্কুলারে বলা হয়েছে,  কোনও কর্মীর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া বা অবসরের অন্তত তিন মাস আগে সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রধানকে নতুন এজেন্সি নির্বাচন বা বিকল্প কর্মী খুঁজতে হবে। দফতরে কত শূন্যপদ রয়েছে তার তালিকা তৈরি করে প্রতি মাসে অর্থ দফতর, এবং কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরে পাঠাতে হবে। 

নিয়মবহির্ভূতভাবে অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ও আধিকারিকদের চুক্তিভিত্তিক পুনর্বহাল রুখতে এই কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।  বুধবার এই নির্দেশিকা জারি করে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, কোন কোন পদ শূন্য হতে চলেছে, প্রতি মাসে তা পর্যালোচনা করে একটি তালিকা অর্থদফতর, পার্সোনাল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস দফতর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে। পরবর্তীকালে ওই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের বন্দোবস্ত করতে হবে। বহু ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে অর্থদফতরের অনুমোদন ছাড়াই রুটিনমাফিক মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর ফলে সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ নষ্ট হচ্ছে। কর্মীদের পদোন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে এমন পদক্ষেপ। চুক্তিভিত্তিক কর্মী সরবরাহকারী সংস্থার মেয়াদ বাড়ানোর প্রবণতাও রয়েছে। এখন থেকে আর্থিক শৃঙ্খলা কোনওভাবেই ভাঙা যাবে না। তাই অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পুনর্বহাল আর নয়, সে বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। তবে সার্কুলারে এটাও বলা হয়েছে,  শুধুমাত্র ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে, উপযুক্ত বিকল্প না থাকলে বা জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে পুনর্নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে।  পাশাপাশি অর্থ দফতরের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনও ধরনের এক্সটেনশন বা পুনর্নিয়োগ করা যাবে না । অনুমোদন ছাড়া চুক্তি বাড়ানো বা শূন্যপদ পূরণে দেরি হলে তা গুরুতর প্রশাসনিক গাফিলতি হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement