Advertisement

অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তি নিয়ে তথ্য তলব KMC-র, কর নির্ধারণে চাওয়া হচ্ছে ভাড়াটের তথ্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মালিকানাধীন বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা। বুধবার পুরসভার মূল্যায়ন বিভাগ নতুন করে নোটিশ জারি করে সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 9:43 AM IST
  • তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মালিকানাধীন বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা।
  • বুধবার পুরসভার মূল্যায়ন বিভাগ নতুন করে নোটিশ জারি করে সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মালিকানাধীন বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা। বুধবার পুরসভার মূল্যায়ন বিভাগ নতুন করে নোটিশ জারি করে সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, নোটিশে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলি আবাসিক না বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে, সেই তথ্য চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সম্পত্তির আয়তন, সেখানে কতজন ভাড়াটে রয়েছেন এবং ভবনের ব্যবহার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও জমা দিতে বলা হয়েছে।

পুরসভার আধিকারিকদের মতে, সাধারণত কোনও সম্পত্তির নতুন করে মূল্যায়ন বা পুরনো নথি খতিয়ে দেখার প্রয়োজন হলে এই ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। কারণ সম্পত্তির ব্যবহার ও ভাড়াটের সংখ্যার উপর ভিত্তি করেই প্রপার্টি ট্যাক্স নির্ধারিত হয়। বাণিজ্যিক ব্যবহার বা বেশি ভাড়াটিয়া থাকলে করের হারও বেশি হয়।

বুধবার সন্ধেয় পুরসভার মূল্যায়ন বিভাগের আধিকারিকরা ১২১, কালীঘাট রোডে গিয়ে নোটিশ পৌঁছে দেন। এটি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত একটি সম্পত্তি বলে পুরসভা সূত্রে দাবি।

এর আগে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মালিকানাধীন বা তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭টি সম্পত্তিতে নোটিশ পাঠিয়েছিল। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছিল, অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে। ওই নোটিশে সাত দিনের মধ্যে অননুমোদিত অংশ ভেঙে ফেলা অথবা কেন তা ভাঙা হবে না, সেই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। পাশাপাশি অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান-সহ প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, একই সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিল্ডিং বিভাগ এবং মূল্যায়ন বিভাগ আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে নোটিশ জারি করতে পারে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও জবাব না দেওয়া হয়, তবে পুরসভা তাদের হাতে থাকা তথ্যের ভিত্তিতেই সম্পত্তির নতুন মূল্যায়ন করতে পারে। যদিও চূড়ান্ত কর নির্ধারণের আগে সম্পত্তির মালিককে শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়।

এদিকে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, এই নোটিশ জারি সম্পর্কে তাঁর আগে থেকে কোনও তথ্য ছিল না। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কমিশনারের স্তরেই নেওয়া হয় এবং তা মেয়রের নীতিগত সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ে না।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement