Advertisement

RG Kar কাণ্ডে দোষী সঞ্জয়কে ফের জেরার অনুমতি, বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রয়োজনে আরজি কর কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত ও অন্য সন্দেহভাজনদের ফের জেরা করতে পারবে সিবিআই। স্পষ্ট জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতে CBI জানিয়েছে, এই ধর্ষণ-খুন 'বিরলতম' (rarest of rare) অপরাধ। তাই অভিযুক্তের ফাঁসি হওয়া উচিত।

আদালতে CBI জানিয়েছে, এই ধর্ষণ-খুন 'বিরলতম' (rarest of rare) অপরাধ। আদালতে CBI জানিয়েছে, এই ধর্ষণ-খুন 'বিরলতম' (rarest of rare) অপরাধ। 
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Apr 2026,
  • अपडेटेड 6:09 PM IST
  • প্রয়োজনে আরজি কর কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত ও অন্য সন্দেহভাজনদের ফের জেরা করতে পারবে সিবিআই।
  • আদালতে CBI জানিয়েছে, এই ধর্ষণ-খুন 'বিরলতম' (rarest of rare) অপরাধ।
  • অভিযক্তের ফাঁসির দাবি করেছে CBI।

প্রয়োজনে আরজি কর কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত ও অন্য সন্দেহভাজনদের ফের জেরা করতে পারবে সিবিআই। স্পষ্ট জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতে CBI জানিয়েছে, এই ধর্ষণ-খুন 'বিরলতম' (rarest of rare) অপরাধ। তাই অভিযুক্তের ফাঁসি হওয়া উচিত।

২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় তোলপাড় হয় গোটা বাংলা। ঘটনার পরদিনই কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন(CBI)।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘আরও অনেক তথ্য জানে সাজাপ্রাপ্ত’
বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা ও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চ জানায়, তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রয়োজনে যে কাউকে জেরা করতে পারবে সিবিআই। আদালতের পর্যবেক্ষণ, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারে বলে মনে হচ্ছে। তাই আধুনিক প্রযুক্তি (Modern Forensic Tools) ও সবরকম পদ্ধতি ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী সংস্থাকে।

নির্যাতিতার পরিবারের তরফে ইতিমধ্যেই ডিএনএ প্রোফাইল (DNA Evidence) ও অডিও রেকর্ড আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এগুলিও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

'বিরলতম' অপরাধ, ফাঁসির সাজা চাইল CBI
এদিন শিয়ালদহ আদালতে সিবিআই স্পষ্টভাবে জানায়, এই ঘটনা 'বিরলের মধ্যে বিরলতম' (Rarest of Rare Case)। তাই অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির সাজা চাওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের পক্ষে মোট ৫৪ জন সাক্ষীর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। আদালতে জানানো হয়, নির্যাতিতার দেহ থেকে উদ্ধার হওয়া লালারসের ডিএনএ পরীক্ষায় তা সঞ্জয়ের সঙ্গেই মিলে গিয়েছে।

এছাড়া সঞ্জয়ের জামাকাপড় ও জুতোতে পাওয়া রক্তের দাগও যে নির্যাতিতার, তা ফরেনসিক রিপোর্টে নিশ্চিত হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার বিশেষজ্ঞ দলও সঞ্জয়কেই একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। ২০ জানুয়ারি বিচারক অনির্বাণ দাস যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।

তবে রায় ঘোষণার আগেই নির্যাতিতার পরিবার হাইকোর্টে সিবিআই তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবেদন জানায়। সেই সময় বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেও ওঠে। পরে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, মামলার শুনানি হাইকোর্টেই চলবে।

Advertisement

রাজনৈতিক ও আইনি মহলের মতে, হাইকোর্টের এই নির্দেশে তদন্তে বড় মোড় বলা যেতে পারে। 
একই সঙ্গে সিবিআইয়ের 'বিরলতম অপরাধ' দাবিও তাৎপর্যপূর্ণ।  

পরবর্তী শুনানিতে অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে নিজের যুক্তি পেশ করবেন। তার পরেই দেখা যাবে এই মামলা কোন দিকে এগোয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement