Advertisement

Nandigram Bypoll Cancidate: নন্দীগ্রামে কি নির্দল প্রার্থী ঋতব্রতদের? ফ্যাক্টর মমতাও, প্ল্যান B কী...

জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যাহত। উপনির্বাচনের আগে প্রতীক বিতর্ক না মিটলে শেষ পর্যন্ত নির্দল হিসেবে লড়তে পারে ঋতব্রত শিবির। এদিকে, ওই শিবিরেরই মদন মিত্র বলছেন, মমতা নন্দীগ্রামে প্রার্থী হলে তারা প্রার্থী দেবে না। সেক্ষেত্রে কী প্ল্যান ঋতব্রতদের?

নন্দীগ্রামে নির্দল লড়বে ঋত শিবির? নন্দীগ্রামে নির্দল লড়বে ঋত শিবির?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 10 Sep 2026,
  • अपडेटेड 9:38 AM IST
  • নন্দীগ্রামে মমতাকে সমর্থন?
  • নাকি নির্দল লড়বে?
  • কী করবে ঋত শিবির?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে ভোটে দাঁড়ালে ঋতব্রত তৃণমূল শিবির প্রার্থী দেবে না। এমনটাই জানিয়েছেন 'ভাল তৃণমূল'-এ থাকা মদন মিত্র। প্রতীক বিতর্ক এখনও না মেটার কারণেই কি এই পথে হাঁটবে তারা? রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে চড়ছে পারদ। 

কী চাইছেন মদন মিত্র?
ঋতপন্থী তৃণমূল নেতা মদন মিত্র জানিয়েছেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেন তাহলে তারা প্রার্থী দেবেন না। অপরদিকে, নন্দীগ্রামের আর এক নেতা আবু তাহেরও একই কথা বলেছেন। দলের সুদিনে যখন তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি দুর্দিনে প্রার্থী হতে নারাজ তিনি।

প্রতীক বিতর্কের সমাধান কবে? 
আসল তৃণমূল কে, এই নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। দলের জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে ফয়সালা হতে পারে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর। সেই দিন ২ শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্টে এই বৈঠক হবে। ২ শিবিরের ৫ জন করে প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত থাকবেন। এই মর্মে ২ শিবিরের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন। ঋতব্রত শিবিরকে সময় দেওয়া হয়েছে সকাল ১১টায় আর মমতাপন্থীদের বেলা ১২টায়। 

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরেই দলের অন্দরে ভাঙন স্পষ্ট হয়। কালীঘাটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পৃথক শিবির তৈরি করেন অনেক তৃণমূল বিধায়ক। একে একে সেই শিবিরে পা বাড়ান মমতার একদা ঘনিষ্টবৃত্তের মদন, ফিরহাদ, অরূপ, চন্দ্রিমারা।  বিধানসভাতেও তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়ী বিধায়ক ঋতব্রত পন্থী। ফলত বিরোধী দলনেতা হয়েছেন তিনিই। তাঁরা দাবি করছেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। আর তাই প্রতীকও তাঁদেরই পাওয়া উচিত। কালীঘাট শিবিরও দলের নিয়ন্ত্রণ কিংবা প্রতীক ছাড়তে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, দল তৈরি করেছেন মমতা। তাঁর নামকে সামনে রেখেই প্রার্থীরা ভোটে লড়েছেন এবং জয়ী হয়েছেন। তাই তাঁকে অস্বীকার করা বেআইনি। এই সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান চেয়ে দুই শিবিরই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল। এবার হতে চলেছে সেই ফয়সালা। 

Advertisement

উপনির্বাচনে নির্দল লড়বে ঋত শিবির?
প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানির মাঝেই রাজ্যে জোড়া উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়েছে।  পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর।  ভোটগণনা রয়েছে ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। কিন্তু একই দলের নামে, একই প্রতীকে দু’জন প্রার্থীর ভোটে লড়া সম্ভব নয়। এবার প্রতীক বিতর্ক না মিটলে প্রার্থী দেওয়া এবং প্রচার নিয়ে এগোতেই পারছে না কোনও শিবির। তৈরি হয়েছে জটিলতা। 

ঋত শিবিরের সিদ্ধান্ত, রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম দুই আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীকেই মনোনয়ন দেবেন তাঁরা। তাঁদের আর্জি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে সিদ্ধান্ত নিক কমিশন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক না পেলে কী হবে? আখরুজ্জামান বলেন, 'আমরা প্রতীক না পেলে আপনা থেকেই প্রার্থীরা নির্দল হয়ে যাবে।' তবে জোট করে নয়, কাউকে সমর্থনের কথাও নয়, একা লড়ার কথাই জানিয়েছেন তিনি। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement