Advertisement

প্রধান বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত, কে কোন পদে? বিদ্রোহী MLA-দের TMC-কেই মান্যতা দিলেন স্পিকার

বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই স্বীকৃতি দিলেন বিধানসভার স্পিকার। বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবি ঋতব্রতকে দেওয়া হয়। বিরোধী দলনেতার ঘরে বসে ঋতব্রত বলেন, আমরা দলবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। আমাদের টিএমসি-র ৫৮ সদস্যের দল রয়েছে। আমরাই প্রধান বিরোধী দল। আরও দুজন আমাদের সঙ্গে আছেন, কিন্তু তাঁরা রাজ্যের বাইরে।

বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই স্বীকৃতি দিলেন বিধানসভার স্পিকারবিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই স্বীকৃতি দিলেন বিধানসভার স্পিকার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:57 PM IST

বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই স্বীকৃতি দিলেন বিধানসভার স্পিকার। বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবি  ঋতব্রতকে দেওয়া হয়। বিরোধী দলনেতার ঘরে বসে ঋতব্রত বলেন,  আমরা দলবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। আমাদের টিএমসি-র ৫৮ সদস্যের দল রয়েছে। আমরাই প্রধান বিরোধী দল। আরও দুজন আমাদের সঙ্গে আছেন, কিন্তু তাঁরা রাজ্যের বাইরে।

নতুন সরকার গঠনের পর থেকে বারবার বিরোধী দলের ঘর নিয়ে অভিযোগ তুলছিলেন বিরোধী দল তৃণমূলের নেতারা। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষরা বারবার অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন ওই ঘর নিয়ে। অবশেষে সেই ঘর খুলে দেওয়া হল। অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে সেই ঘরে ঢোকেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত বিরোধী দলের মর্যাদা পেল তৃণমূলের এই নতুন ব্লক।

টিএমসি বিধায়ক দলে দলীয় প্রতীকে জয়ী ৫৮ জন বিধায়ক রয়েছেন, আরও দুজন বিধায়ক আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। বিরোধী দলনেতার ঘরে বসে জানান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, সবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা টিএমসি বিধায়ক দলের ডেপুটি লিডার হবেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যে নীতিগুলি আমাদের কাছে সঠিক বলে মনে হবে না, তার বিরোধিতা করব, কিন্তু শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করব না। সাংবাদিকদের বলেন ঋতব্রত।

বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পরে সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বলেন, ‘আমরা গঠনমূলক বিরোধিতা করব। তৃণমূল দায়িত্বশীল বিরোধীর ভূমিকা পালন করবে।’ পাশাপাশি ঋতব্রতের সংযোজন, ‘আমরা আপাতত ৫৮ জনের একটা টিম। পরে আরও ২ জন যোগ দিতে পারেন। আমি একটা কথা স্পষ্ট ভাবে বলে দিতে চাই, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। আমরা চাই, উনিই আমাদের পরামর্শদাতা হোন। আমাদের পরিষদীয় দলকে পরামর্শ দিন। উনি থাকলে আমরা ভালো কাজ করতে পারব। অষ্টাদশ বিধানসভার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদূরান্তে কোনও সম্পর্ক নেই।’

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিধানসভায় মুখ্য সচেতক করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে। ডেপুটি লিডার করা হয়েছে চার জনকে— জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের সমর্থনের চিঠি বিধানসভার স্পিকারকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঋতব্রতের কথায়, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছিলেন। তাঁকে ধন্যবাদ যে বিরোধীদের নিয়ে তিনি বৈঠক করেছেন। আমরা কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার বিরোধী বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। আমরা দায়িত্বশীল, সদর্থক বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। সরকারের চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। তাদের সদ্‌র্থক পদক্ষেপের প্রশংসাও করব।’ঋতব্রত আরও বলেন, ‘বাংলার মাটিতে মানুষ রায় দিয়েছেন আমাদের বিরোধী আসনের জন্য। সেটা মেনে নিতে হবে। আমি ‘বস্’ নই। আমি বসিংয়ে বিশ্বাসী নই। আমি আমরায় বিশ্বাস করি। সব সিদ্ধান্ত আলোচনা করে নেব আমরা।’

Advertisement

বিধায়ক আখেরুজ্জামান জানান, 'আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে আমাদের কোন‌ও সন্দেহ নেই। আর আমরাও তৃণমূলের বিধায়ক, কেউ যেন কোনও সংশয় না রাখে।' তবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে যে ডামাডোল এতদিন ধরে চলল তা নিয়ে আখেরুজ্জামানের বক্তব্য, 'আমাদের দু'বার ডাকা হয়েছিল, গিয়েছিলাম কালীঘাটে। কিন্তু বিরোধী দলনেতা স্থির করার ক্ষেত্রে আমাদের কোন‌ও কথা মানা হয়নি। এমনকি যেভাবে রেজোলিউশনের নামে স‌ই জাল করা হয়েছে সেটা লজ্জার।'


ঋতব্রত বলেন, অভিষেকের সঙ্গে আমজনতার কোনও সম্পর্ক নেই। থাকলে ২৬ দিন লুকিয়ে থাকতেন না। চোরের মতো মার খেতেন না। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে অনুরোধ করব, যাতে তিনি আমাদের অর্থাৎ তৃণমূলের পরিষদীয় দলের প্রধান পরামর্শদাতা হন।

Read more!
Advertisement
Advertisement