
বৃষ্টি, সরু গলি দিয়ে ঢোকা ও বেরনো এবং অন্ধকার মণ্ডপ, ঠিক কী কারণে ভিড়-হুড়োহুড়ি শুরু হলব চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে? সম্ভাব্য কারণ জানালেন দমকল মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী।
একটি গুজবের কারণেই হুড়োহুড়ি
দমকলমন্ত্রী জানান, একটি গুজব রটে গিয়েছিল। বলা হয়েছিল, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে প্যাণ্ডেলের একটি অংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সে কারণেই প্যানিক ছড়িয়ে পড়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে। শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি, আর তার থেকেই এই বিপর্যয়। শুভেন্দু অধিকারী শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেও একই কথা বলেন। তাঁর দাবি, পুজো কমিটির তরফে একটি ঘোষণা করা হয়, প্যান্ডেলে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থেকেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়।
ভুলভুলাইয়া প্যাণ্ডেলে বিপর্যয়
কৌশিক চৌধুরী বলেন, 'এই ধরনের ভুলভুলাইয়া প্যান্ডেলের স্ট্রাকচার নিয়ে সচেতন থাকা উচিত। লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের শো ছিল চোরবাগানে তাই মানুষ বারবার দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। ভিতরটা অন্ধকার ছিল। প্যান্ডেলের এই নির্মাণ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত ছিল।' তবে তিনি জানিয়েছেন, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা যথাযথ ছিল। জল দিয়ে নেভানোর ব্যবস্থা, ফায়ার অ্যালার্ম, স্মোক অ্যালার্ম, ভিতরে জল ঢোকানোর পাইপ, সবই ছিল। মন্ত্রী আরও বলেন, 'আমাদের কাছে খবর অনেক পরে পৌঁছেছে। কোনও সোর্স থেকে খবর আসেনি। সাধারণ মানুষের থেকে আমাদের আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন। হঠাৎ করে বৃষ্টি নেমে দেওয়া একটা বিপর্যয় ডেকে এনেছে। আমাদের গাফিলতি থেকে থাকলে আমরা নিশ্চয়ই পর্যালোচনা করব।'
দমকলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতার সব জায়গায় পুজো প্যান্ডেলগুলিতে ইন্সপেকশন শুরু হয়েছে। সব প্যান্ডেলে পুলিশ ও দমকল বিভাগ যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আশ্বস্ত করে তবেই দর্শন হবে।