
দশ হাজার কণ্ঠে 'বন্দে মাতরম'-এর পর এবার 'গেরুয়া সম্মান যাত্রা' হল যাদবপুরে। নেতৃত্বে ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিশাল পদযাত্রাটি শুরু হয় গোলপার্ক থেকে। সেখান থেকে যাদবপুরে আসে ওই মিছিল।
মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে এদিনের পদযাত্রায় পা মেলান বিজেপির নেতৃবৃন্দরা। কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে জাতীয়তাবাদী চিন্তা ও প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে।
এদিকে মিছিল ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগেরবারের মতোই মূল ফটক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। জারি করা হয়েছিল এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি।
এদিন গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত পুরো রাস্তায় লাউডস্পিকার লাগানো হয় এবং পদযাত্রা এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে গায়ত্রী মন্ত্র বাজতে থাকে।
গেরুয়াকে অসম্মান করা হচ্ছে, দেশ-বিরোধী কার্যকলাপ চলছে। এই দাবি তুলেই এদিন যাদবপুরে পথে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । ‘গেরুয়া সম্মান যাত্রা’ শীর্ষক সেই মিছিলে দলে দলে যোগ দেন নাগা সন্ন্যাসীরা। মূলত সাগরমেলার সময় যে সাধুদের উপস্থিতি চোখে পড়ে, তাঁরাই এদিন মিছিলের অংশ। ছিলেন নানা প্রান্ত থেকে আসা সাধুসন্তরা। এদিন মিছিলের পুরোভাগে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর পরণেও ছিল গেরুয়া পোশাক।
‘স্বামী বিবেকানন্দের মাটিতে গেরুয়াই থাকবে’,পদযাত্রা শেষে যাদবপুরে দাঁড়িয়ে এমন বার্তাই দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । সাধু-সন্তদের পাশে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, তিনি গেরুয়ার অপমানের জবাব দিতে শপথ নিয়েছেন। কিছুদিনের মধ্যেই যাদবপুরে বেদপাঠের আসর বসবে বলেও বার্তা দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আশা করব সব রাষ্ট্রবাদী মানুষ তাতে অংশগ্রহণ করবেন।' শুভেন্দু যাদবপুরে বলেন, আমি শপথ নিয়েছি, এই যাদবপুরে, যা ঋষি অরবিন্দের ভূমি, সেখানে কিষেনজিকে রেড স্যালুট দেওয়া লোকদের শিকড় সহ তুলব। আমি পণ করেছিলাম, কমিউনিস্টদের সরাব, পণ করেছিলাম জামাতের সরকারকে সরাব, আপনাদের আশীর্বাদে সেটা হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের ভূমিতে গেরুয়াই থাকবে।