
'আমাদের সরকার নতুন জমি অধিগ্রহণ নীতি আনতে চলেছে।' সোমবার বড় কথা বলে দিলেন রাজ্য BJP সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যে শিল্প কবে আসবে, তা নিয়ে সকলেই কার্যত তীর্থের কাকের মতো তাকিয়ে। এই প্রসঙ্গেই সোমবার কলকাতার ‘ভারত চেম্বার অফ কমার্স’-এর অনুষ্ঠানে শিল্পমহলকে আশার বাণী শোনালেন শমীক। দিলেন, '১০০ দিনের প্রতিশ্রুতি'।
বিগত বাম ও তৃণমূল জমানায় বড় বড় কর্পোরেট কোম্পানিগুলির রাজ্য ছেড়েছে। সে কথা উল্লেখ করে শমীক ভট্টাচার্য এদিন বলেন, 'রাজ্যে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা এখনও গঠন না হলেও, নতুন সরকার বাংলায় বিনিয়োগের বন্ধ দুয়ার খুলে দিতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে।' ব্যবসায়ী ও পুঁজিপতিদের আশ্বস্ত করে BJP-র রাজ্যসভার সংসদ বলেন, 'এই মাটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পবিত্র ভূমি। এটাই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ-বান্ধব অঞ্চল হওয়ার যোগ্য ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিগত জমানার অপশাসনে বাংলার সেই বিপুল সম্ভাবনা কোনও দিন ডানা মেলতেই পারেনি। আমরা এবার যা প্রয়োজনীয়, ঠিক তাই করব।'
খুব দ্রুত এমন সময়োপযোগী ও কড়া আইন তৈরি করা হবে, যা এ রাজ্যের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের জন্য চূড়ান্ত লাভদায়ক এবং সুরক্ষামূলক হবে। এমনটাও জানান শমীক। সঙ্গে তাঁর বড় প্রতিশ্রুতি, 'মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু বৈপ্লবিক পদক্ষেপ বা বড় ধামাকা করতে চলেছি, যা দেখার পর আপনারা প্রত্যেকে আমাদের নতুন সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করতে বাধ্য হবেন।'
তিনি বলেন, 'বিভিন্ন সংস্থাকে SEZ দেয়নি আগের সরকার। সিঙ্গুরে শিল্পতালুক গড়তে ইচ্ছুক ছিলেন অনেকেই। কিন্তু আগের সরকার সহযোগিতা করেনি। আমি নতুন ও বড় বিনিয়োগকারীদের বাংলায় আসার জন্য খোলা আহ্বান জানাচ্ছি। এই সরকার চায় বাংলায় ব্যবসা হোক, কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ হোক। আর সেই সোনার বাংলার রূপরেখা বাস্তবায়িত করতে বাংলার সাড়ে দশ কোটি মানুষকে একজোট হতে হবে।'