Advertisement

Samik Bhattacharya: JU-তে ছাত্র সংঘর্ষ, অশান্তি থেকে দূরত্ব রাখল BJP, শমীক বললেন, 'ABVP আমাদের ছাত্র সংগঠন নয়'

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের FETSU-র ডাকা একটি সাধারণ সভাকে (GB Meeting) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। বুধবার রাতে বাম ছাত্র সংগঠন এবং ABVP ছাত্রদের মধ্যে মারপিট, হাতাহাতি হয়। একাধিক ছাত্র আহত হন। বৃহস্পতিবারও দুই পক্ষের প্রতিবাদে তুলকালাম কাণ্ড হয়। কিন্তু কোনও কিছুতেই BJP হস্তক্ষেপ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন শমীক ভট্টাচার্য।

শমীক ভট্টাচার্য শমীক ভট্টাচার্য
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 20 Aug 2026,
  • अपडेटेड 6:15 PM IST
  • যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় উত্তপ্ত
  • ABVP বনাম বাম ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে বচসা-হাতাহাতি
  • হস্তক্ষেপ করবে না BJP, জানালেন শমীক ভট্টাচার্য

বাম ও ডান পক্ষের দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ধুন্ধুমার কাণ্ড যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের  FETSU-র ডাকা একটি সাধারণ সভাকে (GB Meeting) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। বুধবার রাতে বাম ছাত্র সংগঠন এবং ABVP ছাত্রদের মধ্যে মারপিট, হাতাহাতি হয়। একাধিক ছাত্র আহত হন। হস্তক্ষেপ করেন যাদবপুরের MLA শর্বরীও। এরপর বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের ডাকা জমায়েতকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও বেগতিক হয়। ABVP এবং বাম ছাত্র সংগঠন, উভয়ই পুলিশই ব্যারিকেড ভাঙে, অবস্থান বিক্ষোভ চালায়। এই নিয়ে অবশ্য দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয় মনে করছেন BJP-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 

দুই ছাত্র গোষ্ঠীর বিবাদে BJP-র কোনও ভূমিকাই নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। BJP কোনও ভাবেই এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করবে না বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, ABVP BJP-র ছাত্র সংগঠন নয়। তবে শর্বরীর হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে শমীক জানান, ক্যাম্পাসে পেশিশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠলে স্থানীয় বিধায়ক হস্তক্ষেপ করতে পারেন। 

মীকের কথায়, ‘অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ BJP-র ছাত্র সংগঠন নয়। কোনও সংগঠনের পতাকা পোড়ানো BJP-র সংস্কৃতি নয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে ABVP কীভাবে রাজনীতি করবে, তা তাদের বিষয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কোনও ঘটনা ঘটলে তাতে BJP সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে না।'

বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিকে অবশ্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। স্পষ্ট ভাষায় শমীক জানান, ক্যাম্পাসে কেউ পেশিশক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করলে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে দেখা হবে। BJP রাজ্য সভাপতি বলেন, 'কেউ যদি পেশীশক্তির আস্ফালন দেখিয়ে প্রাসঙ্গিক হতে চায়, তা হলে স্থানীয় বিধায়ক অবশ্যই সেখানে যাবেন।'

পাল্টা SFI-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, 'দেশের তরুণ প্রজন্ম জেন জি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে দেশে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করিয়েছে। তার পরেও এতটুকু লজ্জা নেই। তার পরেও এই বোধ নেই যে, জোর করে এই গুঁতোগুঁতি করে তরুণ প্রজন্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছেন। যদি এতটাই যাদবপুর নিয়ে চিন্তিত হন, ছাত্রভোট করুন না। SFI বুঝে নেবে।' CPIM নেতা তথা আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। মামলায় রাজ্যের সমস্ত ইউনিয়ন রুম বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল, কিন্তু কোনও GB মিটিংয়ের উল্লেখ ছিল না।  

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement