
সব কিছুর জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী, এ কথা মনে করছেন না সৌগত রায়। দলত্যাগ ও শিবির বদলের মরশুমে প্রবীণ এই সাংসদ অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই রয়েছেন এখনও। সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেন, 'দলের হাল খারাপ, মেনে নিচ্ছি। বিধানসভা ভোটে দল হেরে গিয়েছে। কিছু বিধায়ক দল ছেড়ে দিয়েছে, কোনও কোনও সাংসদ দলের বিরুদ্ধে বলছেন। রাজ্যসভার সাংসদরা পদত্যাগ করেছেন। সব কিছুর জন্য অভিষেককে দোষারোপ করা ঠিক নয়। কারণ যাঁরা এগুলো বলছেন, তাঁরাই ৪ মে-এর আগে অভিষেকের জয়জয়কার করেছেন। তখন তো কখনও বলেননি এত রাগ রয়েছে। আমি অন্তত কখনও শুনিনি।'
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা সত্ত্বেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষোভ উগরে দিতে শোনা গিয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। অভিষেকের মামল থেকে তিনি সরে গিয়েছেন এবং তাঁর বক্তব্য, 'মমতাদিকে বলব, হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন, অভিষেককে সরান। ওর জন্য দলটা শেষ হয়েছে। তার পরেও উদ্ধত ভাব যায়নি।' তবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এত চটে কেন গিয়েছেন তা জানেন না বলেই উল্লেখ করেন সৌগত রায়।
সায়নী ঘোষের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছিল বলে সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন বর্ষীয়ান এই সাংসদ। সৌগত রায়ের কথায়, 'সায়নীর সঙ্গে আমার ৪-৫ দিন আগে কথা হয়েছিল। তখনও তো বলেছিল মমতার সঙ্গেই থাকবে। তারপর কেন মত বদল করল জানি না। নিজেই বলতে পারবে। দেখলাম সানগ্লাস-টুপি পরে বিমানবন্দর থেকে বেরোল।'
উল্লেখ্য, বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের লোকসভার স্পিকারকে লেখা যে চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা গিয়েছে সই রয়েছে সায়নী ঘোষেরও।