Advertisement

Dharmatala Protest: 'মৌলালি থেকে BJP-র লোকেরা ঢুকে সাংবাদিকদের মেরেছে,' সাফাই SFI-এর

ধর্মতলায় বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা মিছিলে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাধে শুক্রবার। মারধর করা হয় সাংবাদিকদের। এই ঘটনা নিয়ে এবার সাফাই দিল SFI। তাদের দাবি, BJP-র লোকেরাই মিছিলে ঢুকে সাংবাদিকদের মেরেছে।

ধর্মতলায় বিক্ষোভ ধর্মতলায় বিক্ষোভ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 25 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:23 AM IST
  • বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা মিছিলে ধুন্ধুমার কাণ্ড
  • মারধর করা হয় সাংবাদিকদের
  • ঘটনায় কী সাফাই দিল SFI?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) বাতিল, সংসদ অভিযান চলাকালীন পুলিশি ‘অত্যাচার’, এই ৩ দাবি নিয়ে শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠন। সেই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গ শাখার সদস্যরাও। সেখানে কর্মসূত্রে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েক জন সাংবাদিক, চিত্র-সাংবাদিক। বামেদের ডাকা মিছিলে কীভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল? কেন মিছিলে 'বহিরাগত' ঢুকল? কেন মিছিলের নিয়ন্ত্রণ রাখা গেল না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ছাত্র নেতৃত্বের উপর। এ প্রসঙ্গে কী সাফাই বাম ছাত্র সংগঠনগুলির? 

সাংবাদিকদের মারধরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তারা। তবে এই ঘটনার দায় 'শাসক পক্ষ'-এর উপর চাপাল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, ‘মিছিল চলাকালীন, কয়েক জন ব্যক্তি ঢুকে পড়ে মিছিলকে বিপথে চালনা করার চেষ্টা করছিল। আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গেও তাদের বিতণ্ডা বাধে। পরে শাসক পক্ষের এই ভিড় সাংবাদিকদের আক্রমণ করে এবং তাদের আটকাতে গিয়ে প্রহৃত হন আমাদের লোকজনেরা।’ আক্রান্ত সাংবাদিকদের পাশে থাকার কথাও বলেছেন বাম-ছাত্রেরা।

SSKM হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আহত সাংবাদিকরা। রাতেই তাঁদের দেখতে পৌঁছন ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব। SFI-এর রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, 'সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপর অশালীন আচরণ করা হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। ওখান দাঁড়িয়েই আমরা সে কথা বারবার বলেছি। দুপুর থেকেই BJP-র পক্ষ থেকে একদল লোক মিছিলের মধ্যে ঢুকে গন্ডোগোল পাকানোর চেষ্টা করেছে। ডোরিনা ক্রসিং যখন হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর ভিড়ে ভেসে গিয়েছে, তখন ওই দল ঢুকে সাংবাদিকদের সঙ্গে, আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের উপর ইট ছুড়েছে, অশালীন আচরণ করেছে। এতে পুলিশের সাহায্য ছিল। এই আহত সাংবাদিকরা আমদের পরিচিত, প্রতিনিয়ত তাঁদের সঙ্গে আমাদের চলাফেরা। মৌলালিতে BJP-র একটা সভা চলছিল, সেখান থেকেই এসেছিল এরা। ছাত্রদের জনজোয়ারের মধ্যে ঢুকে তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।'

তবে সাংবাদিক মহলের একাংশের জোরাল বক্তব্য, এই ঘটনার দায় এড়িয়ে যেতে পারে না বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। মিছিলের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাত থেকে বেরিয়ে গেল কীভাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। 

Advertisement

প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে প্রতিবাদের নামে কলকাতায় সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি নিজে রাতে SSKM হাসপাতালে আহত সাংবাদিকদের দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেখানে বলেন, 'শুক্রবারিরা চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে। কয়েকটা দিন অপেক্ষা করুন।'

শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টি ও বাম সংগঠনগুলির প্রতিবাদ মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট-জুতো-জলের বোতল। ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'শুক্রবার বিশেষ দিন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলতেন, শুক্রবার সব ছাড় আছে। ওই শুক্রবারের লোকেরাই করেছে। চিহ্নিত করেছি, মার্ক করেছি। এদের সঙ্গে NEET-এর কোনও সম্পর্ক নেই। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যিনি এখানে হেরেছেন, তিনি বারবার বলতেন, শুক্রবার তো ওরা একটু করবে, তাই আজকে সাংবাদিকরা আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবারিরা চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে। কয়েকটা দিন অপেক্ষা করুন। এদের কী করতে হয় আমি জানি।' 

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement