Advertisement

Jadavpur University: 'আমরা চিরকাল নেশা-বিরোধী,' শুভেন্দুর 'ড্রোন ওড়াব' মন্তব্যের পাল্টা SFI

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের কার্যত আল্টিমেটাম দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘হিসাবের শেষ পর্যায় এসে গিয়েছে। নয় এরা থাকবে, নয় আমরা। মাঝে আর কিছু হবে না!' এর প্রক্রিয়ায় কী বক্তব্য SFI-এর? 'আজাদি' স্লোগান সম্পর্কে কী মন্তব্য?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যের পাল্টা SFIযাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যের পাল্টা SFI
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 29 Aug 2026,
  • अपडेटेड 1:29 PM IST
  • যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের কার্যত আল্টিমেটাম দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী
  • এর প্রক্রিয়ায় কী বক্তব্য SFI-এর?
  • 'আজাদি' স্লোগান সম্পর্কে কী মন্তব্য ছাত্রছাত্রীদের?

যাদবপুরে দাঁড়িয়েই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের কার্যত আল্টিমেটাম দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি শুক্রবার সহস্র কণ্ঠে 'বন্দে মাতরম' গাওয়ার কর্মসূচি থেকে জানান, হয় 'বেয়াদবেরা' থাকবেন নয় 'রাষ্ট্রবাদীরা।' শুভেন্দুর অভিযোগ, কমিউনিস্টরাই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের স্বাধীনতা দিবস, সাধারণতন্ত্র দিবস, সনাতন সংস্কৃতি, ভারতীয় সংস্কৃতি, বাঙালিদের পরম্পরা, মুনি-ঋষিদের পরম্পরা থেকে বিচ্যুত করেছে। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘হিসাবের শেষ পর্যায় এসে গিয়েছে। নয় এরা থাকবে, নয় আমরা। মাঝে আর কিছু হবে না!' এর প্রক্রিয়ায় কী বক্তব্য SFI-এর? 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কমিটির সহ সভাপতি এবং SFI কলকাতা জেলা কমিটির সদস্য এষনা সেন বলেন, 'যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা সংগ্রামের আঁতুড়ঘর। বহিরাগত গুণ্ডাদের ঢুকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা কীভাবে ধূলিস্যাৎ করতে হয়, তা আমরা খুব ভাল ভাবে জানি।' 

'আজাদি' স্লোগান নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি? এই বেয়াদবেরা শুনে রাখো, অপারেশন সিঁদুরে মাসুদ আজহারের বংশকে নির্বংশ করেছে ভারতীয় বাহিনী। আমরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরও দখল করব।' পাশাপাশি তিনি বলেছেন, 'ড্রোন ওড়াব। কোথায় ফেনসিডিল, নেশার দ্রব্য নিয়ে যাচ্ছেন, কোথায় পাতা পুড়িয়ে টানছেন, আমি দেখব। আমি পুলিশমন্ত্রী। আমি জঞ্জাল সাফাই করতে জানি।'

SFI চিরকাল নেশা-বিরোধী বার্তা দিয়ে এসেছে বলেই মন্তব্য করেন এই ছাত্রনেত্রী। এষনা সেন বলেন, 'আমি এমন একটা দেশে বাস করছি যেখানে এখনও পর্যন্ত নারী নির্যাতন রোজকার ঘটনা। যে দেশে মানুষ প্রাথমিক শিক্ষাটুকু পায় না, যেখানে এখনও মানুষকে ফুটপাতে বাস করতে হয়। সে দেশে দাঁড়িয়ে আমি ভুগমারি থেকে আজাদি চাইবই। আমি পিতৃতন্ত্র থেকে আজাদি চাইবই। মনুবাদ-পুঁজিবাদের থেকে আজাদি চাইবই। সেটা আমার হক, আমার প্রত্যেকদিনের বেঁচে থাকার লড়াই। ভারত থেকে আজাদি চাইছি না। ভারত আমার দেশ, দেশকে সমস্তটা দিয়েই ভালোবাসি। কিন্তু সে দেশে যে ছোট ছোট বড় বড় ভুলগুলি প্রতিনিয়ত রাষ্ট্র আস্কারা দিয়ে যাচ্ছে, সেগুলির থেকে আমরা আজাদি চাইবই।'

Advertisement

শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ ছিল, হস্টেলের ছেলেদের জোর করে মিছিলে নিয়ে যায় বাম সংগঠনগুলি। এ প্রসঙ্গে উপাচার্যের কাছে তদন্তের আর্জি জানিয়েছে SFI। 

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে SFI-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, 'যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছাত্রছাত্রীদের হুমকি দিয়ে গুন্ডাসুলভ আচরণ করেছেন উনি। এতই যদি ইচ্ছে থাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দখল নেওয়ার তাহলে অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করুন। ছাত্রছাত্রীদের বেছে নিতে দিন কোন ছাত্র সংগঠন থাকবে আর কোন ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাস থেকে রিজেক্টেড হবে। হাওয়া গরম করে, আজগুবি-অসাংবিধানিক কথাবার্তা বলে কোনও লাভ হবে না। সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এবং গাইডলাইন প্রকাশ করুন।'

'আজাদি' প্রসঙ্গে করা মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দেবাঞ্জন বলেন, 'আজাদি স্লোগান নিয়ে ওঁর ব্যক্তিগত আপত্তি রয়েছে। কারণ এরকম কোনও স্লোগান নিয়ে সাংবিধানিক আপত্তি আছে বলে আমাদের জানা নেই। আজাদির লড়াই আসলে লেখাপড়া করার আজাদির লড়াই, কম খরচে-দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে পড়াশোনা করার আজাদির লড়াই। শান্তিতে খেয়ে পড়ে বাঁচবার, মর্যাদা নিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচার আজাদি, চাকরি পাওয়ার আজাদি, সেটার কথাই ছাত্রছাত্রীদের স্লোগানে উঠে আসে।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement