Advertisement

Shams Iqbal: শুভেন্দুর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেও রেহাই মিলল না, ফিরহাদ-ঘনিষ্ঠ শামস ইকবালও গ্রেফতার

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন। তবে তাতেও বাঁচতে পারলেন না। পুলিশের জালে ফাঁসলেন তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল। তিনি ফিরহাদ হাকিম ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

শামস ইকবালশামস ইকবাল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 29 Jun 2026,
  • अपडेटेड 10:15 AM IST
  • শুভেন্দু অধিকারীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন
  • পুলিশের জালে তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
  • তিনি ফিরহাদ হাকিম ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত

মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছিল নাম। তারপরই অ্যাকশন পুলিশের। এবার গ্রেফতার ফিরহাদ হাকিম ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর শামস ইকবাল। ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের একটি মামলায় ৭০ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। সোমবার গার্ডেনরিচ থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। 

এই শামস ইকবালের দাপট এতটাই বেশি ছিল, ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নামে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত। তবে গত ৪ মে দলের পরাজয়ের পর থেকেই এলাকায় বিক্ষোভের শিকার হন তিনি। তবে সেই শামস ইকবালকেই গত ২১ জুন যোগ দিবসে রেড রোডের অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছিলেন ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ এই নেতা।  কিন্তু সেই 'সৌজন্য'ও তাঁর শ্রীঘরে যাওয়া আটকাতে পারবে না।

জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে শামস ইকবাল এবং তার দলবল জোরপূর্বক ৭০ লক্ষ টাকা তোলা নেয় বলে অভিযোগ। সম্প্রতি সেই ব্যবসায়ীকে আবারও টাকার জন্য হুমকি দেওয়া শুরু করে শামসের অনুগামীরা। ক্রমাগত হুমকি ও চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ী পুলিসের দ্বারস্থ হন। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে গার্ডেনরিচ থানার পুলিশ গ্রেফতার করে তাঁকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু তোলাবাজির অভিযোগই নয়, শামস ইকবালের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ধারাতেও মামলা রুজু হয়েছে। 

কে এই শামস ইকবাল?
বাবা মুন্না ইকবাল গার্ডেনরিচের পুলিশ কর্মী তাপস চৌধুরী খুনে অভিযুক্ত ছিলেন। তিনিও ছিলেন পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর। তাঁর পর ২০১৫ সাল থেকে তৃণমূলের ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হন ছেলে শামস ইকবাল। কোটি টাকার গাড়ি চড়ার শখ রয়েছে শামসের। ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি কলকাতা পুরসভার একটি রিভিউ মিটিংয়ে কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল লাল 'অ্যাস্টন মার্টিন' গাড়ি নিয়ে এসে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। তবে মেয়র ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তিনি বরাবরই ধারছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। 

Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পর বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন একের পর এক কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর। পদত্যাগ করে, পালিয়ে গিয়েও বাঁচতে পারেননি সুশান্ত ঘোষের মতো কাউন্সিলররা। এদিনই পানিহাটিতে গ্রেফতার হলেন আরেক তৃণমূল কাউন্সিলর জয়ন্ত দাস। তাঁর বিরুদ্ধেও তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement