
সম্প্রতি বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিং থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। STF সূত্রে দাবি,পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। তাঁর সঙ্গে কাশ্মীরের শেহজাদ ভাটের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, হামিম মণ্ডল মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। এবার হামিম মণ্ডলের আরও এক সহযোগীকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃতের নাম আদিত্য সিং।
ধৃত আদিত্য সিং-এর বাড়ি হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডে। রবিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দাদের দাবি, হামিমের সঙ্গে আদিত্যের দীর্ঘ দিনের পরিচয় ছিল এবং হামিমই তাকে দলে নিয়োগ করেছিল। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, মন্ত্রী উমেশ রাইয়ের ছেলেকে অপহরণের ষড়যন্ত্রেও আদিত্য জড়িত ছিল বলে অভিযোগ। ধৃতকে সোমবার বর্ধমান আদালতে তোলা হচ্ছে।
বাংলায় ‘জইশ-এ-মহম্মদ’ সংক্রান্ত মামলায় এই নিয়ে তৃতীয় কাউকে গ্রেফতার করা হলো। হাওড়ার বেলগাছিয়া থেকে এসটিএফ (STF) বাংলা আদিত্য সিংকে প্রথমে আটক করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদিত্য সিং হামিমের সংস্পর্শে ছিল এবং বিজেপি মন্ত্রী উমেশ রাইয়ের ছবি ও বিস্তারিত তথ্য হামিদের কাছে সরবরাহ করেছিল। এছাড়া সে পাকিস্তানের ‘ভাট্টি গ্যাং’-এর সঙ্গে এনক্রিপ্টেড মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছিল। একটি গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে আদিত্যের পরিচয় হয় এবং হাওড়ায় তাদের সরাসরি দেখাও হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপরে হামলার ছক কষার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল হামিম মণ্ডলকে। এর পরে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছিল হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে। আর এ বার জঙ্গিদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আদিত্য সিং।