Advertisement

LPG Price Hike: রাতারাতি বাড়তে পারে রোল-চাউমিন থেকে রসগোল্লার দাম, মধ্যবিত্তের পকেটে টান

রাতারাতি প্রায় হাজার টাকা বেড়ে গিয়েছে ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম। ফলত দোকানদারেরা বাড়িতে দিতে পারেন রোল, চাউমিন থেকে শুরু করে রসগোল্লা, গোলাপজামের দাম। মধ্যবিত্তের পকেট বড়সড় চাপ পড়তে পারে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 01 May 2026,
  • अपडेटेड 3:10 PM IST
  • প্রায় হাজার টাকা বেড়ে গিয়েছে সিলিন্ডারের দাম
  • রোল, চাউমিন, রসগোল্লার দাম রাতারাতি বাড়তে পারে
  • মধ্যবিত্তের পকেট বড়সড় চাপ পড়তে পারে

গোটা দেশে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। ১ মে, শুক্রবার থেকে ১৯ কেজির একটি বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডারের বেড়েছে ৯৯৪ টাকা। কলকাতায় এখন বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১৩০২ টাকা। তবে স্বস্তির বিষয় তেল কোম্পানিগুলি গৃহস্থালির গ্যালের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। তবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামের এই ব্যাপক বৃদ্ধির জেরে সরাসরি না হলেও পরোক্ষ ভাবে চাপ পড়বে মধ্যবিত্তের পকেটে। দাম বেড়ে যেতে পারে আপনার পছন্দের খাবারগুলি। 

গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম বাড়েনি, তবে তার অর্থ এই নয় যে মুদ্রাস্ফীতিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর পড়বে না। নিত্যদিনের খাবারের দাম রাতারাতি বেড়ে যেতে পারে অনেকটাই। 

ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অধিকাংশ হোটেল, রেস্তোরাঁতেই ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এই সিলিন্ডারগুলি দাম বৃদ্ধি সরাসরি দোকানের ব্যবসায় প্রভাব ফেলবে। নিজেদের লাভ বজায় রাখার জন্য দোকানদারেরা তখন ক্রেতাদের বিক্রি করা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারেন। 

বাণিজ্যিক LPG-র মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলির উপর সবচেয়ে বেশি পড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি সিলিন্ডারের দাম প্রায় হাজার টাকা বাড়লে একটি মিল বা থালির দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। 

এছাড়াও সিঙাড়া, চাউমিন, জিলিপি সহ স্ট্রিটফুডের দামও বাড়তে পারে রাতারাতি। কারণ এগুলির ক্ষেত্রেও বাণিজ্যিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। মিষ্টির দামও ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। 

কচুরি, মটর পনির, বাটার নান, চিকেন কষা থেকে শুরু করে রসগোল্লা-গোলামজামের দামও বাড়িয়ে দিতে পারেন বিক্রেতারা। কারণ এগুলি তৈরির খরচও বাড়বে। তাছাড়া রাঁধুনিদের পারিশ্রমিকও বাড়াতে হতে পারে ব্যবসায়ীদের। 

দুগ্ধজাত পণ্য, বেকারি এবং মিষ্টির দোকানগুলিতে LPG ব্যবহার করা হয় সবচেয়ে বেশি। পনির, মিষ্টি, রুটি, বিস্কুটের দামও বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পরিবহণেও। কোল্ড স্টোরেজ এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। 

এই সমস্ত কারণের জেরে শ্রমিক শ্রেণি, ছোট দোকানদার এবং মধ্যবিত্তরাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তাঁদের খরচ বাড়লেও আয় অপরিবর্তিত থাকে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement