Advertisement

Sujit Bose Arrested: সুজিত বসুকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করল ED

প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করল ইডি। সোমবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় একাধিক নথি ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়।

ইডির  অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ইডির অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 11 May 2026,
  • अपडेटेड 9:39 PM IST
  • প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করল ইডি।
  • সোমবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
  • পশ্চিমবঙ্গের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের।

Sujit Bose Arrested By ED: প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করল ইডি। সোমবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় একাধিক নথি ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়। সেই প্রমাণের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে, দাবি ইডি-র। পশ্চিমবঙ্গের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই যে এফআইআর দায়ের করেছিল, তার ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। সেই মামলার তদন্তেই উঠে আসে একাধিক আর্থিক লেনদেন এবং বেআইনি নিয়োগের তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, এই নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত ছিল।

গত ১০ অক্টোবর ইডি রাজ্যের ১৩টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। সেই তালিকায় সুজিত বসুর দফতর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের কয়েকটি ঠিকানাও ছিল। তল্লাশির সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয় বলে দাবি তদন্তকারীদের। পাশাপাশি প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা নগদও বাজেয়াপ্ত হয়। উদ্ধার হওয়া নথি এবং ডিজিটাল তথ্যের সূত্র ধরেই তদন্ত আরও এগোয়।

ইডির দাবি, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তের সময় এই মামলার সূত্র প্রথম সামনে আসে। ২০২৩ সালে অয়ন শীল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় উদ্ধার হওয়া নথি খতিয়ে দেখেই তদন্তকারীরা জানতে পারেন, দুর্নীতির জাল শুধু শিক্ষক নিয়োগে সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন পুরসভাতেও বেআইনি নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ।

ইডি-র দাবি, তদন্তে উঠে আসে কাঁচরাপাড়া, নিউ ব্যারাকপুর, কামারহাটি, টিটাগড়, বরানগর, হালিশহর, দক্ষিণ দমদম এবং দমদম-সহ একাধিক পুরসভায় বিভিন্ন পদে নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগ, মজদুর, ঝাড়ুদার, ক্লার্ক, পিয়ন, অ্যাম্বুল্যান্স অ্যাটেনড্যান্ট, পাম্প অপারেটর, ড্রাইভার এবং স্যানিটারি অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো পদে টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ইডির তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন পুরসভায় প্রশ্নপত্র ছাপানো, OMR শিট তৈরি, মূল্যায়ন এবং মেধাতালিকা তৈরির বরাত দেওয়া হয়েছিল একটিমাত্র সংস্থাকেই। সেই সংস্থার নাম m/s ABS Infozon Pvt Ltd। সংস্থার ডিরেক্টর অয়ন শীল।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে OMR শিটে কারচুপি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বহু অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়।

Advertisement

ইডির বক্তব্য, এই গোটা ঘটনায় সরকারি আধিকারিক, রাজনৈতিক নেতা এবং কয়েকজন ব্যক্তির মধ্যে একটি ‘ক্রিমিনাল কনস্পিরেসি’ বা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র তৈরি হয়েছিল। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি চালানো হয় বলে দাবি তদন্তকারীদের।

এই মামলায় এর আগেই অয়ন শীলের বিরুদ্ধে কলকাতার বিশেষ পিএমএলএ আদালতে প্রসিকিউশন কমপ্লেন দাখিল করেছে ইডি। পাশাপাশি সুজিত বসু, রথীন ঘোষ এবং আরও কয়েক জনের বাড়িতেও আগে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। 

Read more!
Advertisement
Advertisement