
সুপ্রিম কোর্ট থেকে খালি হাতেই ফিরতে হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল এবং ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে। তাঁদের রক্ষাকবচ দিল না দেশের শীর্ষ আদালত। এই মামলায় সিবিআই-র বক্তব্য জানতে নোটিস পাঠিয়ে বিচারপতি অনুরুদ্ধ বোস ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ। আগামী শুক্রবার মামলার পরবর্তী শুনানি।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দরকার হলে গৌতম পাল ও পার্থ কর্মকারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের মামলা করেছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। সোমবার সেই আবেদনে সাড়া দিল না আদালত। বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করা হলে গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন কেন? তেমন বুঝলে আগামী শুক্রবার শুনানির পর রক্ষাকবচ দেওয়া হবে।
গত ১৮ অক্টোবর গৌতম পাল ও পার্থ কর্মকারকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি গৌতম পাল আবেদন করেছিলেন, সিবিআই যাতে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য রক্ষাকবচ দিক সুপ্রিম কোর্ট। গৌতম পালের আইনজীবী প্রশ্ন করেন, সুপ্রিম কোর্টে যখন মামলা বিচারাধীন, তখন হাইকোর্টের বিচারপতির নির্দেশ কতটা যুক্তিযুক্ত? যা আদতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে 'ওভাররিচ' করার চেষ্টা।