
ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে বুধবার বিধানসভায় শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর বিধানসভায় ঢোকার পূর্বে নতজানু হয়ে প্রণাম করলেন সিঁড়িতে। যা ফেরালো ২০১৪ সালের স্মৃতি। যখন ঠিক একই ভাবে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সংসদে প্রবেশের আগে নতজানু হয়ে প্রণাম করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী।
২০ মে, ২০১৪। ঐতিহাসিক জনাদেশ পাওয়ার পর, প্রথমবার সংসদ ভবনে প্রবেশ করার সময়ে সিঁড়িতে নতজানু হয়ে প্রণাম করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সংসদ ভবনের প্রধান ফটকের সিঁড়িতে মাথা ঠেকিয়ে তাকে ‘গণতন্ত্রের মন্দির’ হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শ্রদ্ধা ও বিনয় প্রদর্শন করেন।
ঠিক একই ভাবে নরেন্দ্র মোদীকে নতজানু হতে দেখা যায় গত ৯ মে। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে BJP। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসন জিতে বিপুল জয় লাভ করেছে দলটি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসে নরেন্দ্র মোদী সেই জনাদেশ নিয়ে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে ফের একবার নতজানু হন। ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তিনি বাংলার মানুষকে প্রণাম করেন।
মোদীর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই শুভেন্দুও এদিন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় প্রবেশের আগে সিঁড়িতে নতজানু হয়ে প্রণাম করলেন।
অবশ্য এখানেই শেষ নয়, বিধানসভায় নিজের কক্ষে শুভেন্দু ঘণ্টা বাজিয়ে, ধূপ-ধুনো দিয়ে পুজোও করলেন। প্রবেশের পরেই বিআর আম্বেদকরের মূর্তিতে মালা দেন তিনি। এরপর তাঁকে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হয় এদিন।
শুভেন্দুর পর একে একে শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিক, অগ্নিমিত্রা পলেরা। শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।
এদিন উত্তরের ৯ জেলা ও মুর্শিদাবাদের বিধায়করা শপথ নেবেন প্রথমার্ধে। অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টার মধ্যে শপথ নেবেন ৭৬ জন বিধায়ক। এর পরে দুপুর ২টো থেকে সাড়ে ৪টে অবধি শপথ নেওয়ার কথা আরও ৮০ জন বিধায়কের। নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিধায়করা নেবেন।