Advertisement

Suvendu Adhikari: সংখ্যালঘুরাও এখন BJP-কেই ভোট দিচ্ছেন, দাবি শুভেন্দুর, বোঝালেন সমীকরণ

যে সংখ্যালঘুদের BJP-র ভয় দেখানো হত, তাঁরাই এখন ভোট দিচ্ছেন। সোমবার এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বিজেপি এলে ধর্ম পালনের অধিকার থাকবে না। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। একটি সম্প্রদায়কে ঘিরে এমনই প্রচার করা হয়েছিল।'

যে সংখ্যালঘুদের BJP-র ভয় দেখানো হত, তাঁরাই এখন ভোট দিচ্ছেন। সোমবার এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। যে সংখ্যালঘুদের BJP-র ভয় দেখানো হত, তাঁরাই এখন ভোট দিচ্ছেন। সোমবার এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Oct 2026,
  • अपडेटेड 6:20 PM IST

যে সংখ্যালঘুদের BJP-র ভয় দেখানো হত, তাঁরাই এখন ভোট দিচ্ছেন। সোমবার এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বিজেপি এলে ধর্ম পালনের অধিকার থাকবে না। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। একটি সম্প্রদায়কে ঘিরে এমনই প্রচার করা হয়েছিল।' এদিন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর কলকাতার মুরলিধর সেন লেনে বিজয় মিছিলের শেষে সভায় এই মন্তব্য করেন। বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে একটা পারসেপশন তৈরি করে রাখা হয়েছিল, বিজেপি কেবলমাত্র হিন্দুদের ভোটে নির্বাচিত হয়।' সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে তাঁর দাবি, 'পশ্চিমবঙ্গের নবনির্মাণ, উন্নয়ন এবং প্রগতির জন্য আজ সবাই একসঙ্গে এসেছি।'

‘ভাগাভাগির রাজনীতি চলবে না’ 
শুভেন্দু বলেন, ভোটের আগে ধর্মীয় অধিকার হারানো এবং বাংলাদেশে চলে যাওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল একটি সম্প্রদায়কে। এর পরেই তিনি বলেন, 'ওরা ভোট না দেওয়া সত্ত্বেও নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আজ মূলস্রোতে এসে পশ্চিমবঙ্গের নবনির্মাণ, উন্নয়ন ও প্রগতির জন্য একসঙ্গে এসেছে।'

শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও তৃণমূল বাঙালি পরিচয়, ভাষা ও জাতের ভিত্তিতে মানুষকে ভাগ করার চেষ্টা করেছিল। তাঁর দাবি, 'আমাদের ভাষার নামে, জাতের নামে ভাগ ভাগ করতে চেয়েছিল।' দার্জিলিংয়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক বোর্ড তৈরি এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, '২০২৬-এর ভোটে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।'

নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী এক লক্ষ ২২ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু। রেজিনগরেও বিজেপির জয়কে ‘অসম্ভবকে সম্ভব’ করার উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, 'পশ্চিমবঙ্গে ভেদাভেদের রাজনীতি চলবে না। উন্নয়নের রাজনীতি এগিয়ে যাবে।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement