Advertisement

অভিষেকের জেল শীঘ্রই? বিধানসভায় বড় হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

বুধবার বিধানসভা থেকে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২০৩১ পর্যন্ত অভিষেক বাইরে (জেলের) থাকবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন শুভেন্দু।

বিধানসভায় অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুরবিধানসভায় অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Jul 2026,
  • अपडेटेड 4:45 PM IST
  • সরাসরি অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • একুশের মঞ্চ থেকে অভিষেকের মন্তব্যেরই পাল্টা নিশানা করেছেন শুভেন্দু।
  • অভিষেক বলেছিলেন, "ফুটপাতে থাকব, লড়াই করে বিজেপিকে হারাব। দেখি ওরা কী করতে পারে।"

বিধানসভা থেকে সরাসরি অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সরাসরি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে চ্যালেঞ্জ জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। একুশের মঞ্চ থেকে অভিষেকের মন্তব্যেরই পাল্টা নিশানা করেছেন শুভেন্দু।

মঙ্গলবার একুশের মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় তোপ দেগে বলেছিলেন, "নোটবুকগুলো এক এক করে ঠিক নিয়ে নেব। ২০৩১ -এ সব হিসেব হবে।" বুধবার বিধানসভা থেকে সেই মন্তব্যকেই নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, "একজন বলেছেন নোট-খাতা সব খুলে রাখো ৩১-এ সব হিসেব হবে। আরে ততদিন আপনি বাইরে থাকলে, তবে তো হিসেব হবে।"

পাশাপাশি গতকাল অভিষেক বলেছিলেন, "ফুটপাতে থাকব, লড়াই করে বিজেপিকে হারাব। দেখি ওরা কী করতে পারে।" সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, "আড়াই হাজার লোক নিয়ে বড় কথা। ক্ষমতা থাকলে ডায়মন্ড হারবারে দাঁড়ান। ৪ মে-র পরে ডায়মন্ড হারবার গিয়েছ? জোকা পেরিয়েছ? " 

সরাসরি অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, "আপনি একজন সাংসদ। আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক...গোরুর গাড়ির হেডলাইট। ফলতায় আপনাদের প্রার্থী স্বঘোষিত পুষ্পা। আপনি প্রচারে যাননি কেন?" 

কটাক্ষের পাশাপাশি শুভেন্দু এদিন জানান, "ভাইপোপন্থী তৃণমূলের নাম নিশান পশ্চিমবঙ্গে থাকবে না, এটা আমার দায়িত্ব।" ডায়মন্ড হারবার মডেল নিয়েও প্রাক্তন শাসক দলকে নিশানা করতে ছাড়েননি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ডায়মন্ড হারবার মডেলের নামে গণতন্ত্রকে কীভাবে লুট করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনা হবে ৷ দুর্নীতির সঙ্গে যাঁরা জড়িত, যাঁরা বেআইনি কাজ করেছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না ৷

অন্যদিকে এদিনই বিধানসভা সাক্ষী থেকেছে বিরাট অশান্তির। ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামানের বক্তব্য রাখার সময় মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ নিজের সিট ছেড়ে তাঁর কাছে গিয়ে কিছু বলতে থাকেন। তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মমতা-পন্থী বিধায়করা ওয়লে নামেন। ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদেরও দেখা যায়। তারইমধ্যে ওয়েলে নেমে আসেন বিজেপির বিধায়করাও। যদিও রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এসে তাঁদের দলের বিধায়কদের নিজের নিজের আসনে বসতে বলেন। 

Advertisement

তখন দেখা যায়, কুণাল ঘোষ ঋতব্রত-পন্থী বিধায়কদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছেন। স্পিকার রথীন বসু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে থাকেন। তিনি বারবার কুণাল ঘোষকে বসতে বলেন নিজের আসনে। তবে কুণাল ঘোষ সেই কথায় কর্ণপাত করেননি। তাঁকে ওয়েলে বাকি বিধায়কদের সঙ্গে বচসা করতে দেখা যায়। 

এরপরেই স্পিকার রথীন বসু কুণালকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কুণাল নিজে থেকে বেরোতে চাননি। এর ফলে মার্শাল ডেকে রীতিমতো চ্যাংদোলা করে বাইরে বের করে দেওয়া হয় কুণাল ঘোষকে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement