Advertisement

Suvendu Sudip Laxmi Puja: লক্ষ্মীপুজোয় সুদীপের বাড়ি শুভেন্দু. 'আগের CM তো...', মমতাকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় তালতলায় NCPI সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ নাগাদ সেখানে পৌঁছন। প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন সুদীপের বাড়িতে।

সন্ধ্যা ৬টা ৪০ নাগাদ সেখানে পৌঁছন। প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন সুদীপের বাড়িতে। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ নাগাদ সেখানে পৌঁছন। প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন সুদীপের বাড়িতে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:30 PM IST
  • সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন সুদীপের বাড়িতে।
  • প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন শুভেন্দু।

লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় তালতলায় NCPI সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ নাগাদ সেখানে পৌঁছন। প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন সুদীপের বাড়িতে। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানালেন, এই সাক্ষাতের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সৌজন্য এবং বাঙালির সংস্কৃতির টানেই তাঁর এই যাওয়া।

সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, ‘সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখন NDA-র শরীক। তাঁর ডাকে লক্ষ্মীপুজোর নিমন্ত্রণ রক্ষা করব না কেন? প্রধানমন্ত্রী নিজে তাঁকে ডেকে ব্রেকফাস্ট করেছেন, তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুজোয় আসার মধ্যে কোনও সমস্যা নেই।’

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। উনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আছেন, দেশের উন্নতির স্বার্থে। সুদীপবাবু নিজে ডেকেছিলেন। আমাকে গতকাল নিজে দু’বার মেসেজ করে বলেছেন। বলেছিলেন আটটায় আসতে, খেতে। আমি নিজেই আগে এসেছি। আমি এলাম, পদ্মফুল দিলাম। বৌদি নারকেলের নাড়ু খাওয়ালেন। আমাকে চারটি নাড়ু দিয়েছিলেন, আমি দু’টো খেয়েছি।’

গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। কারণ, NCPI-এর সঙ্গে আসন্ন পুরভোটে বিজেপির জোট নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এহেন আবহে সুদীপের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এদিন রাজনৈতিক কোনও বিষয় নিয়েই মুখ খোলেননি শুভেন্দু।

শুভেন্দু বলেন, 'নয়নাদিদের বাংলাদেশ ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। আমার মায়েরও বাংলাদেশ ব্যাকগ্রাউন্ড। এটা তো আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। সেটাই পালন করতে এসেছি।'

এরপরেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন শুভেন্দু। বলেন, 'এখান থেকে ২ কিলোমিটার দূরে বাড়ি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। অথচ সুদীপদা তো তাঁকে প্রতিবার নিমন্ত্রণ করতেন, কখনও আসেননি। যাঁদের অবদানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, তাঁদের নিমন্ত্রণ রক্ষা করেননি। বাঙালিরা তো বরাবরই সৌজন্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এই বামেরা আর তৃণমূল সেই সৌজন্য তুলে দিয়েছিল।'

তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, লক্ষ্মীপুজোয় এই সাক্ষাৎ শুধু উৎসবের সৌজন্যে আটকে রইল না। পুরভোটের আগে এই নিয়ে যে জল্পনা বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement