Advertisement

সবার আগে অটোচালকরা 'পাল্টি' খেলেন, শহরজুড়ে তিনচাকায় উড়ছে পদ্ম-ঝান্ডা

ভোটের ফল ঘোষণার দিন সকাল থেকেই কলকাতার রাস্তাঘাট ছিল প্রায় ফাঁকা। অটোর সংখ্যাও ছিল হাতে গোনা। সন্ধের পর কিছু রুটে অটো চলাচল শুরু হলেও, অধিকাংশ জায়গাতেই দেখা গিয়েছিল নিস্তব্ধতা। তবে রাজ্যে ১৫ বছর পর ক্ষমতার পালাবদলের পরের সকালেই বদলে গেল চিত্র, রাস্তা জুড়ে বাড়ল অটোর সংখ্যা, আর সেই সঙ্গে চোখে পড়ল এক নতুন দৃশ্য।

বেলঘরিয়া অটোস্ট্যান্ড।-নিজস্ব ছবিবেলঘরিয়া অটোস্ট্যান্ড।-নিজস্ব ছবি
Aajtak Bangla
  • 05 May 2026,
  • अपडेटेड 3:44 PM IST
  • ভোটের ফল ঘোষণার দিন সকাল থেকেই কলকাতার রাস্তাঘাট ছিল প্রায় ফাঁকা।
  • অটোর সংখ্যাও ছিল হাতে গোনা। সন্ধের পর কিছু রুটে অটো চলাচল শুরু হলেও, অধিকাংশ জায়গাতেই দেখা গিয়েছিল নিস্তব্ধতা।

ভোটের ফল ঘোষণার দিন সকাল থেকেই কলকাতার রাস্তাঘাট ছিল প্রায় ফাঁকা। অটোর সংখ্যাও ছিল হাতে গোনা। সন্ধের পর কিছু রুটে অটো চলাচল শুরু হলেও, অধিকাংশ জায়গাতেই দেখা গিয়েছিল নিস্তব্ধতা। তবে রাজ্যে ১৫ বছর পর ক্ষমতার পালাবদলের পরের সকালেই বদলে গেল চিত্র, রাস্তা জুড়ে বাড়ল অটোর সংখ্যা, আর সেই সঙ্গে চোখে পড়ল এক নতুন দৃশ্য।

শহরের নানা প্রান্তে, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, তারাতলা, রাসবিহারী, কসবা, রুবি থেকে শুরু করে উল্টোডাঙা, কাদাপাড়া, বাগবাজার ও ব্যারাকপুর, প্রায় সর্বত্রই অটোর মাথায় উড়তে দেখা গেল গেরুয়া পতাকা। যেন রাতারাতি রঙ বদলে ফেলেছে অটো ইউনিয়নগুলি। শহরতলির অটোওয়ালাদেরও একই অবস্থা। বেলঘরিয়া, কামারহাটি, বরানগরে রাতারাতি বদলে গিয়েছে অটো ইউনিয়নের রং।

মঙ্গলবার সকালে বালিগঞ্জের একটি অটোস্ট্যান্ডে দেখা যায়, চালকেরা নিজেদের হাতে অটোতে বিজেপির পতাকা বাঁধছেন। গেরুয়া আবির খেলছেন, ডিজে বাজিয়ে নাচে মেতেছেন অনেকেই। এতদিন আইএনটিটিইউসি-র সঙ্গে যুক্ত থাকা বহু চালক এখন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ ইউনিয়নে যোগ দিচ্ছেন বলেই দাবি।

এক অটোচালকের কথায়, 'বিজেপি ইউনিয়ন গড়ার ডাকে আমরা এক হয়েছি।' আবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সংগঠক জানান, দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিলেন চালকেরা। অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে রুটভিত্তিক অনুমতির বাইরে অতিরিক্ত অটো নামানো হয়েছে, পারমিট পেতে দিতে হয়েছে মোটা টাকা, আর পুলিশের জরিমানাও বেড়েছে ক্রমাগত। সেই জমে থাকা ক্ষোভই এখন প্রকাশ পাচ্ছে। বেহালার এক চালকের মন্তব্য, 'একচেটিয়া দাপটের ফল ভুগতে হয়েছে সরকারকে।';

অন্যদিকে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাবও পড়েছে অটোচালকদের ওপর। গত কয়েক মাসে ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রীরাও সমস্যায় পড়েছেন। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে দোষারোপের রাজনীতির মাঝেই ক্ষোভ বাড়ছিল নিচুতলায়। এখন ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের প্রত্যাশায় নতুন দিনের আশায় বুক বাঁধছেন তিনচাকার মালিক ও চালকেরা। তাঁদের মতে, যদি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিয়মকানুন সঠিকভাবে কার্যকর হয়, তবে এই খাতে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement