Advertisement

তোলাবাজির অভিযোগে আটক আরও এক TMC কাউন্সিলর, 'চোর চোর' স্লোগান স্থানীয়দের

পুলিশের হাতে আটক কলকাতা পুরসভার  ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত। তাঁকে ঘিরে রীতিমতো 'চোর', 'চোর' স্লোগান দেওয়া হয়।

তোলাবাজির অভিযোগে আটক আরও এক TMC কাউন্সিলরতোলাবাজির অভিযোগে আটক আরও এক TMC কাউন্সিলর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Jun 2026,
  • अपडेटेड 8:36 AM IST
  • তোলাবাজির অভিযোগে আটক তৃণমূলের আরও এক কাউন্সিলর।
  • পাটুলি থানার পুলিশ আটক করল কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
  • কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে রীতিমতো 'চোর', 'চোর' স্লোগান দেওয়া হয়।

তোলাবাজির অভিযোগে আটক তৃণমূলের আরও এক কাউন্সিলর। এবার পাটুলি থানার পুলিশ আটক করল কলকাতা পুরসভার  ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে। তোলাবাজি ছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যের দিকে আটক করার পর রাতে গ্রেফতারও করা হয়েছে  তৃণমূল নেতাকে।

আটক করার পর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে থানায় আনা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়দের একাংশ। কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে রীতিমতো 'চোর', 'চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। জনতার অভিযোগ, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় কার্যত ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল এই তৃণমূল নেতা।

একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শনিবার দিনের বেলায় বাপ্পাদিত্য ঘনিষ্ঠ যুব নেতা সৌরভ ঘোষকে আটক করেছিল পুলিশ। তাঁকে জেরা করার পরেই পাকড়াও করা হয় বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে। তার আটকের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার বাইরে ভিড় জমান স্থানীয়দের একাংশ। তখনই ওঠে 'চোর', 'চোর' স্লোগান। জনতার একাংশের অভিযোগ, এই কাউন্সিলরের নেতৃত্বেই  জোর করে, ভয় দেখিয়ে টাকা তোলা, প্রতিবাদ করলে মারধর করার মতো ঘটনা ঘটত।

বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত সম্পর্কে জানুন

কলকাতা পুরসভার এই কাউন্সিলর আদতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ২০১০ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরেই তিনি তৃণমূল শিবিরে যোগদান করেছিলেন। অনেকে দাবি করেন, এর আগে তিনি নাকি বিজেপি করতেন। ২০১৫ সালে পুরভোটে জিতে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হন তিনি। এরপর ২০২১ সালেও নির্বাচনে জেতেন এই নেতা। আর তার পর থেকেই তাঁর নামে ভুঁরি ভুঁরি অভিযোগ উঠতে থাকে।

প্রসঙ্গত, এর আগে কলকাতা পুরসভারই ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের  তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এক মহিলাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছিল রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ। তবে এই শেষ নয়, গত এক সপ্তাহে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় শাসক দলের কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে জমা পড়ছে অভিযোগের পাহাড়। ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে পাকড়াও হয়েছেন কমপক্ষে ৬-৭ জন তৃণমূল কাউন্সিলর।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement