
TMC Councillor Arrested: গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন কুমার সিং। ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। মঙ্গলবার তাঁকে বেলেঘাটা রোডের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, সচিন একাধিক মামলায় অভিযুক্ত। সম্প্রতি নারকেলডাঙা থানায় দায়ের হওয়া দু'টি মামলায় তাঁর নাম রয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেফতারের সময় তাঁর বাড়ির বাইরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জড়ো হন।
প্রথম অভিযোগ: বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট
প্রথম মামলাটি নারকেলডাঙা থানায় ২৭ মে, ২০২৬-এ দায়ের করেন বেলেঘাটা রোডের বাসিন্দা আদর্শ পাণ্ডে। অভিযোগে তিনি জানান, ২০২১ সালের ৪ মে বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ, বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই একদল ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়।
এফআইআরে সচিন কুমার সিংয়ের পাশাপাশি মুকেশ যাদব, ওমপ্রকাশ ভাস্কর, বিকাশ যাদব, পাপ্পু যাদব, শৈলেশ যাদব, রামবাবু রাই-সহ আরও কয়েক জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়িতে ভাঙচুর চালায়, লুটপাট করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
দ্বিতীয় মামলাতেও নাম কাউন্সিলরের
সচিন সিংয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন শিবতলা লেনের বাসিন্দা চন্দ্রপ্রকাশ সিং। ১৭ মে, ২০২৬-এ দায়ের হওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ভোটের ফল প্রকাশের পর সচিন ও তাঁর সঙ্গীরা বেআইনি জমায়েত করে জোর করে অভিযোগকারীর বাড়িতে ঢোকেন।
অভিযোগ, সেখানে তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয় এবং বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনাতেও ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সচিন-সহযোগীদের খোঁজে জেরা
পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারের পর সচিন সিংকে নারকেলডাঙা থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
শীঘ্রই ধৃত কাউন্সিলরকে আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।