Advertisement

গানে নয়, বাস্তবে 'মাছ চোর' এই TMC কাউন্সিলর; অভিযোগ পেতেই গ্রেফতার করল পুলিশ

মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল কাউন্সিলর।  শনিবার, ৩০ মে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। জানা গিয়েছে, এলাকায় স্থানীয় একটি ভেড়ি থেকে মাছ চুরি করতে গিয়ে ওই তৃণমূল কাউন্সিলরকে হাতেনাতে ধরা পড়েন বলে অভিযোগ। 

তৃণমূল কাউন্সিলর মাছ চোর! হাতেনাতে পাকড়াওতৃণমূল কাউন্সিলর মাছ চোর! হাতেনাতে পাকড়াও
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 May 2026,
  • अपडेटेड 3:18 PM IST
  • মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল কাউন্সিলর।
  • ৩০ মে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
  • মাছ চুরি করতে গিয়ে ওই তৃণমূল কাউন্সিলরকে হাতেনাতে ধরা পড়েন বলে অভিযোগ।

মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল কাউন্সিলর।  শনিবার, ৩০ মে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। জানা গিয়েছে, এলাকায় স্থানীয় একটি ভেড়ি থেকে মাছ চুরি করতে গিয়ে ওই তৃণমূল কাউন্সিলরকে হাতেনাতে ধরা পড়েন বলে অভিযোগ। 

ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কাউন্সিলরকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে কাউন্সিলরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর মাছ চুরির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোররাতে এলাকার একটি মাছের ভেড়িতে কয়েক জনকে নিয়ে যান কাউন্সিলর বরুণ সরকার। অভিযোগ, সেখানে ভেড়ির মালিক বা দেখভালের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুমতি ছাড়াই মাছ তোলা হচ্ছিল। ভোরের দিকে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় কয়েক জনের। এরপরই তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউন্সিলরকে ঘিরে ফেলেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ভেড়ি থেকে প্রভাব খাটিয়ে মাছ তুলে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। তবে এদিন নাকি কাউন্সিলরকে সরাসরি মাছ তুলতে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কাউন্সিলরের সঙ্গে আরও কয়েক জন ছিলেন এবং দ্রুত মাছ তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিও চলছিল। যদিও এই বিষয়ে ধৃত কাউন্সিলরের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েক জন বাসিন্দা জানান, ভোরের অন্ধকারে মাছ তোলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার মানুষ একত্রিত হতে থাকেন। এরপর তাঁরা কাউন্সিলরকে আটকে রেখে প্রতিবাদ শুরু করেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সাধারণ মানুষের সম্পত্তি বা এলাকার ভেড়ি থেকে এভাবে প্রভাব খাটিয়ে মাছ তুলে নেওয়া মেনে নেওয়া যায় না। একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠতেই এলাকায় ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে।

অভিযোগের ভিত্তিতে মাছ চুরির মামলা রুজু করে বরুণ সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিরোধীদের দাবি, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। যদিও শাসকদলের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। দলের অন্দরে বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।
 

Advertisement

স্বপন কুমার মুখার্জি
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement