Advertisement

Kakoli Ghosh Dastidar : এবার জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল

তৃণমূলের রক্তক্ষরণ চলছেই। এবার জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ইতিমধ্যেই তিনি চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে। 

মমতা  বন্দ্য়োপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 May 2026,
  • अपडेटेड 8:01 PM IST
  • তৃণমূলের রক্তক্ষরণ চলছেই
  • এবার জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার

তৃণমূলের রক্তক্ষরণ চলছেই। এবার জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ইতিমধ্যেই তিনি চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে। 

চিঠির ছত্রে ছত্রে দলের বর্তমান অবস্থার কথা তুলে ধরে সমালোচনা করছেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ উদ্রেক হয়েছে। যা দলের জন্য মোটেই ভালো দল। দলের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তিনি লেখেন, 'পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ ও দুর্নীতির কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে। গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়বদ্ধতা, শিষ্টাচার, এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ব, মূল্যবোধকে, আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।' 

২০২৬ সালে বিধামসভা ভোটের জন্য নাম না করে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন নেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কাকলি। পুরোনো কর্মীদের বিশ্বাস করলে দল যে ভালো ফল করত, তাও পরোক্ষভাবে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। 

চার বারের ওই সাংসদ লিখেছেন, 'এই বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় দলের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ার নৈতিক দায় নিয়ে আমি বারাসাত জেলা সাংগঠনিক সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাই। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে আবেদন আপনি বিগত দিনের মতো সৎ, নিষ্ঠাবান পুরানো কর্মীদের নিয়ে কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে মনে হয়। তুঁইফোড় সংখ্য দিয়ে কঠিন কাজ হয় বলে মনে হয় না।' 

সম্প্রতি, লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে কাকলিকে সরিয়ে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছরের অগাস্ট মাসে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওই পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নয় মাসের মধ্যেই আবার দায়িত্ব বদল হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন কাকলি। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছিলেন,'৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।' 

Advertisement
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ইস্তফাপত্র

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই পোস্টের পরই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়া হয় কাকলিকে। তাঁকে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিয়েছে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

Read more!
Advertisement
Advertisement