Advertisement

সায়নী ঘোষও বিদ্রোহী দলে, যুব TMC-র সভানেত্রী 'দিদি' সঙ্গ ছাড়লেন

একের পর এক ঝটকা চলছে তৃণমূল শিবিরে। সকালেই খবর পাওয়া গিয়েছে সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এ বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। বুধবার সংসদের উচ্চকক্ষ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এবার জানা যাচ্ছে যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষও ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। বিদ্রোহী ২০ জন তৃণমূল সাংসদের তালিকায় সায়নী ঘোষও স্বাক্ষর করেছেন।

বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদের দলে সায়নীওবিদ্রোহী ২০ জন সাংসদের দলে সায়নীও
পীযূষ মিশ্র
  • কলকাতা,
  • 10 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:34 PM IST

একের পর এক ঝটকা চলছে তৃণমূল শিবিরে। সকালেই খবর পাওয়া গিয়েছে সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এ বার  রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। বুধবার সংসদের উচ্চকক্ষ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এবার জানা যাচ্ছে যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষও  ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। বিদ্রোহী ২০ জন তৃণমূল সাংসদের তালিকায় সায়নী ঘোষও স্বাক্ষর করেছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে দিল্লিতে বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তৃণমূলের একদল ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদ। বৈঠকের পর তাঁরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে এনডিএতে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ২০ জন সাংসদ ওই চিঠিতে সই করেছেন। যারমধ্যে সায়নী ঘোষের নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।  তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সদ্য মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় যে দলীয় কমিটি ঘোষণা করেছিলেন তাতে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদ পেয়েছিলেন সায়নী।

প্রসঙ্গত যাদবপুরের  তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ বাংলার রাজনীতিতে মমতা-অভিষেকের আস্থাভাজন বলেই পরিচিত ছিলেন। রাজনীতিতে সায়নী ধীরে ধীরে মমতার রেপ্লিকা হয়ে উঠছিলেন বলেও অনেকেই নানা সময়ে বলেছেন। সব পুরনো কমিটি ভেঙে সম্প্রতি মমতা যুব তৃণমূলের দায়িত্ব পুনরায়  সায়নীকেই দিয়েছেন। সেই সায়নীর নীরবতা জল্পনা বাড়াচ্ছিল। সোমের কয়েকদফা বৈঠকের পর, সায়নীকে নিয়ে জল্পনা বাড়ে। 

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর দলে সায়নীর  সাংগঠনিক দায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। তারপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই অনুসরণ করতে শুরু করেন সায়নী। পরনে সাদা শাড়ি, পায়ে হাওয়াই চটি - সায়নী যেন মমতারই ‘রেপ্লিকা’ হয়ে ওঠেন। একইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। তবে সায়নীকে ঘিরে বিতর্কও কম হয়নি। সমাজমাধ্যমে তাঁর শেয়ার করা ‘শিবলিঙ্গে কন্ডোম’ পোস্ট আজও বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চার বিষয়। যদিও সেই সময় দল তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল।  সেই তৃণমূল সাংসদ সায়নী এবার বেসুরো হয়ে নাম লেখালেন বিদ্রোহী শিবিরে ।  

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement