
লরি থেকে পুলিশের 'টাকা তোলার' অভিযোগ নতুন নয়। গত সরকারের আমলে ভুঁরি ভুঁরি এই অভিযোগ উঠে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একাধিক ভিডিও পোস্ট করেছেন গাড়ির চালকেরাও। তবে তাতে খুব বেশি অ্য়াকশন চোখে পড়েনি। কিন্তু সরকার বদল হতেই এবার এই বিষয়ে নেওয়া হল পদক্ষেপ। পণ্যবাহী গাড়ি থেকে ‘তোলা’ আদায়ের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল কলকাতা পুলিশের দুই কর্মীকে। একইসঙ্গে ডিমোবিলাইজ করা হল এক সিভিক ভলান্টিয়ারকেও।
ভাঙড়ে একটি মাল বোঝাই গাড়ি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানান রবিবার এক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক। অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তের পরই তিনজনের বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ওই ৩ জনের মধ্যে এক জন সার্জেন্টও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কলকাতা পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ আসার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ ছিল, ভাঙড়ের ঘটকপুকুর মোড়ে নিয়মিত পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছিল।
সেই অভিযোগ পেয়েই তদন্ত চালায় ভাঙড় ট্রাফিক পুলিশ গার্ড। তদন্তে সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা, কনস্টেবল শিবনন্দন ঠাকুর এবং সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লার নাম উঠে আসে। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘তোলা’ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এরপরেই অ্যাকশন নেয় কলকাতা পুলিশ। সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা ও কনস্টেবল শিবনন্দন ঠাকুরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ারকেও ডিমোবিলাইজ করা হয়েছে। পাশাপাশি, নিয়ম মেনে বিভাগীয় তদন্তও শুরু করা হয়েছে।