Advertisement

Kolkata More AC Buses: বন্ধ Uber Shuttle, গরমে AC বাস আরও নামবে রাস্তায়? যা জানালেন বিদায়ী মন্ত্রী

শহরের হাজার হাজার নিত্য অফিসযাত্রীর জন্য বড় ধাক্কা নিয়ে এসেছে উবার। ২ এপ্রিল থেকে কলকাতায় বন্ধ হয়ে গেছে উবার শাটল পরিষেবা। ফলে প্রতিদিনের যাতায়াতে খরচ বাড়ার পাশাপাশি বাড়বে ভোগান্তিও— এমনটাই আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে সেক্টর ফাইভ, নিউটাউন ও রাজারহাটের আইটি কর্মীদের কাছে এই পরিষেবা ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়।

যাত্রীদের ভোগান্তি রুখতে কী প্ল্যান রাজ্যের? জানালেন বিদায়ী মন্ত্রীযাত্রীদের ভোগান্তি রুখতে কী প্ল্যান রাজ্যের? জানালেন বিদায়ী মন্ত্রী
সুমনা সরকার
  • কলকাতা,
  • 03 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:59 PM IST

শহরের হাজার হাজার নিত্য অফিসযাত্রীর জন্য বড় ধাক্কা নিয়ে এসেছে উবার। ২ এপ্রিল থেকে কলকাতায় বন্ধ হয়ে গেছে উবার শাটল পরিষেবা। ফলে প্রতিদিনের যাতায়াতে খরচ বাড়ার পাশাপাশি বাড়বে ভোগান্তিও— এমনটাই আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে সেক্টর ফাইভ, নিউটাউন ও রাজারহাটের আইটি কর্মীদের কাছে এই পরিষেবা ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। তুলনামূলক কম খরচে আরামদায়ক ও নির্ভরযোগ্য যাতায়াতের জন্য অনেকেই উবার শাটলের উপর নির্ভর করতেন। এই পরিস্থিতিতে দূষণ কমানো ও যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে শহরের রাস্তায় আরও সিএনজি বাস নামানোর কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিদায়ী পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী।

এবারের নির্বাচনে জাঙ্গিপাড়া কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী প্রচারের মাঝেই bangla.aajtak.in কে জানান কলকাতার জন্য ২০০ বেশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সিএনজি কেনা হয়েছে। এরমধ্যে ১০০টি বাসের ইতিমধ্যে উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি বাসও রাস্তায় নামছে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। জেলাগুলির জন্যও বাস দিচ্ছে রাজ্য সরকার। 

প্রসঙ্গত, সংস্থার হিসেব, কলকাতায় মাসে উবার শাটল–এর অ্যাপ–নির্ভর পরিষেবায় গড়ে প্রায় ১৭ লক্ষ বুকিং হতো।  ৬০টি বাস দিয়ে যে পরিষেবা শুরু হয়েছিল, এক বছরের মধ্যেই প্রবল জনপ্রিয়তায় বাসের সংখ্যা পৌঁছেছিল ১৬০টিতে। বাতানুকূল এক–একটি বাসে আসন–সংখ্যা ১৯ থেকে ৫০। দাঁড়িয়ে যাওয়ার কোনও সংস্থান নেই। বাসে যত আসন, যাত্রীও ঠিক তত। ফলে স্বাচ্ছন্দ্য ছিল প্রশ্নাতীত। শাটল পরিষেবা বুক করার ব্যবস্থা ছিল উবর অ্যাপ থেকেই। তবে ক্যাবের মতো এই বাস বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াত না। শহরের বিভিন্ন রুট ধরে চলত। যাঁরা বাস ধরতে আগ্রহী হতেন, তাঁরা আগে থেকে বুক করতেন। নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়াতেন, সেখানে বাস এলে উঠে নিজের গন্তব্যে চলে যেতেন। গত দু’বছর ধরে একই ছন্দে পরিষেবা দিয়ে যাত্রীদের রীতিমতো অভ্যস্ত করে তুলেছিল উবার শাটল। সেই কারণেই পরিষেবা বন্ধ  হতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে বহু যাত্রীর। তাঁদের একটাই প্রশ্ন — ‘এ বার অফিস যাব কী ভাবে?’ সেক্ষেত্রে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবহণ দফতরের  সিএনজি বাস তাঁদের কিছুটা হলেও সমস্যার সমাধান করতে পারবে। 

Advertisement

কলকাতায় অ্যাপ–নির্ভর ক্যাব চালকদের সংগঠন ‘অনলাইন ক্যাব অপারেটর্স গিল্ড’–এর সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, সম্ভবত ফান্ডিংয়ের সমস্যার কারণে উবার এই পরিষেবা বন্ধ করে দিচ্ছে। অন্যদিকে, দাবি করা হচ্ছে, এই পরিষেবায় লাভের পরিমাণ আশানুরূপ হচ্ছিল না কোম্পানির। সেই কারণেই কলকাতা-সহ দেশের অন্য শহরেও শাটল পরিষেবা বন্ধ করছে উবর। কয়েক বছর আগে কলকাতায় এই শাটল পরিষেবা চালু হয়েছিল। মূলত অফিসযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট রুটে বাসের মতো এই পরিষেবা চালু করা হয়। কিন্তু বুকিং থেকে পেমেন্ট—সব কিছুই হত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। ফলে ধীরে ধীরে এটি শহরের ব্যস্ত মানুষের কাছে সুবিধাজনক একটি বিকল্প হয়ে ওঠে। গিল্ডের দাবি, শহরের বেসরকারি পরিবহণ গত কয়েক বছরে অনেকটাই অ্যাপ–নির্ভর হয়ে পড়ায় এখন একটি আলাদা দফতর খুলুক রাজ্য পরিবহণ দফতর। এই নয়া দফতর শুধুমাত্র অ্যাপ–বেসড পরিষেবায় নজর রাখবে। না হলে আগামী দিনে এমন অব্যবস্থা হতেই থাকবে।

Read more!
Advertisement
Advertisement