
SIR-এ নাম বাদ যাওয়ার কারণে ভোটের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই কথা জানান কল্যাণ।
তৃণমূল সাংসদ কোর্টকে জানিয়েছেন, SIR-এর কারণে ৩১ আসনে জয়ের ব্যবধান বাদ দেওয়া সংখ্যার চেয়ে কম। তাঁদের দলের একজন সদস্য মাত্র ৮৬২ ভোটে হেরেছেন। তবে সেই আসন থেকে ৫ হাজারেরও বেশি নাম বাদ পড়েছিল SIR-এ।
তিনি সুপ্রিম কোর্টে আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ৩২ লক্ষ ভোটের। সেখানে বিচারাধীন ছিল প্রায় ৩৫ লক্ষ নাম।
কল্যাণের বক্তব্য শোনার পর বেঞ্চ জানায়, যদি পরাজয়ের ব্যবধান বাদ দেওয়া নামের সংখ্যার চেয়ে কম হয়, তবে এই বিষয়ে একটি নতুন আবেদন করতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। কোর্টে আজ নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, একটি আবেদন করা যেতেই পারে।
প্রসঙ্গত, এর আগে SIR মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, জয় বা পরাজয়ের ব্যবধান কম হলে আদালত বিষয়টি বিবেচনা করবে। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে এবং কল্যাণের অভিযোগের সারবত্তা থাকলে এটা স্পষ্ট যে, আবেদন করতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস।
পরে PTI-কে কল্যাণ জানান, মালদার মানিকচকে তৃণমূল প্রার্থী ১৩ হাজার ৯০০ মতো ভোটে হেরেছে। সেখানে ওখানে SIR-এ আপিল বিচারাধীন ছিল ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষের নাম। মুর্শিদাবাদের রানিনগরে ২৭০১ ভোটে হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থী। সেখানে ১৭ হাজারের বেশি কেস বিচারাধীন। এরকম অনেক বিধানসভা আসন আছে।
যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ সত্যি হলেও এই মামলায় বিজেপির কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ, গেরুয়া শিবির একাই পেয়েছে ২০৭টি আসন। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। সেখানে কল্যাণ অভিযোগ করেছেন ৩১ আসনে জয়ের ব্যবধান SIR-এ বাদ দেওয়া সংখ্যার চেয়ে কম। সুতরাং সেই ৩১ আসন বাদ দিলেও ম্যাজিক ফিগারের থেকেও অনেক আসন বেশিই হাতে থাকছে বিজেপির।