Advertisement

Suvendu Annapurna Form: '২০ টাকার ঢেঁড়সও টিপে দেখেন, আর সরকার...' অন্নপূর্ণার বড় ফর্ম নিয়ে শুভেন্দু যা বললেন...

Suvendu Annapurna Form: সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'দেখুন, সরকার জনগণকে বছরে ৩৬ হাজার টাকা দেবে। আপনি ২০ টাকার ঢেঁড়স কিনতে গেলেও টিপে দেখেন।'

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রকৃত উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রকৃত উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রকৃত উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রকৃত উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 01 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:10 PM IST
  • অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদনপত্র এত বড় কেন?
  • সাধারণ মানুষের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন।
  • শুভেন্দু বলেন, 'আপনি ২০ টাকার ঢেঁড়স কিনতে গেলেও টিপে দেখেন।'

Suvendu Annapurna Form: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদনপত্র এত বড় কেন? বিরোধী দল এবং সাধারণ মানুষের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন। সে প্রসঙ্গে সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'দেখুন, সরকার জনগণকে বছরে ৩৬ হাজার টাকা দেবে। আপনি ২০ টাকার ঢেঁড়স কিনতে গেলেও টিপে দেখেন। একটু সহযোগিতা করুন না।' ঢেঁড়সের উদাহরণ দিতেই নবান্নের প্রেস ঘরে উঠল হাসির রোল। পাশে দাঁড়িয়ে মুখ টিপে হাসতে দেখা গেল ইন্দ্রনীল খাঁকেও।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রকৃত উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, যাচাইয়ের সময় ইতিমধ্যেই একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

শুভেন্দুর অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অতীতে বহু ভুয়ো তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। বলেন, 'এই যে রাকিবুল, মুস্তাফিজুর, তারিকুল... বিখ্যাত সব নাম। এই যে ২২টি অ্যাকাউন্ট, এ তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শুধু জঙ্গিপুর ব্লকেই আমরা ৩,০০০ বের করব। এরা যা করে গিয়েছে, ভয়ঙ্কর। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, উচিত প্রাপকরা প্রত্যেকে পাবেন। একদম তাড়াহুড়ো করবেন না। প্রতি সপ্তাহে আমাদের মন্ত্রীরা আপডেট দেবেন। এমনিতেই আমরা দিনে ২ লক্ষ করে ভেরিফিকেশন করে ফেলছি।'

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হল প্রকৃত প্রাপকদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তাঁর কথায়, 'যাঁদের জন্য প্রকল্প তৈরি হয়েছে, তাঁরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তাই তাড়াহুড়ো না করে ধাপে ধাপে যাচাইয়ের কাজ করা হচ্ছে।'

শুভেন্দুর কথায়, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ আবেদন যাচাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রতি সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা রিপোর্ট দেবেন বলেও জানান শুভেন্দু।

সাংবাদিক বৈঠকে পূর্ববর্তী সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ইমাম ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং যুবশ্রীর মতো প্রকল্পে অনেক ক্ষেত্রেই যথাযথ যাচাই হয়নি। বলেন,  '২ জন লিখে দিয়েছে ইমাম, তাদের ইমাম ভাতা দিচ্ছিল। এদিকে তাঁরা কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই যুক্ত না। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবশ্রীর ভেরিফিকেশন আদৌ হয়েছে? দশম পাশ বলছেন তো... আমি বহু এমন দেখিয়ে দেব, ক্লাস ফোর পাশে যুবশ্রী করিয়েছে।'

Advertisement

শুভেন্দু আরও বলেন, 'আপনি করলেন মহিলাদের জন্য। তারিকুল, রাফিকুলদের জন্য তো নয়। চন্দ্রকোণার TMC নেতা উত্তম সাউয়ের জন্য তো নয়। এখানেই আমাদের সরকারের নীতি এবং উদ্দেশ্য।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement