
দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতিমধ্যে দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বাতাসের বিদায়পর্ব শুরু হয়েছে। অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক ভাবে এ বছরের মতো বিদায় নিয়েছে বর্ষা। তবে মৌসম ভবন জানিয়েছে, বিচ্ছিন্ন এবং বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও কিছুদিন থাকবে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্তের মতো ওয়েদার সিস্টেম তৈরির সম্ভাবনা এখনও থাকছেই। তবে চলতি উইকএন্ডে তেমন ভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ফলে চুটিয়ে পুজো শপিং করতে আর কোনও বাধা থাকবে না।
নিম্নচাপের গতিবিধি
উত্তর মায়ানমার এবং দক্ষিণ পূর্ব বাংলাদেশ, মিজোরাম এবং উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপ রয়েছে। এটি উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিকে, মিজোরাম, ত্রিপুরা এবং সংলগ্ন দক্ষিণ পূর্ব বাংলাদেশে প্রভাব ফেলবে। তবে এর শক্তি ভারী বৃষ্টিপাত ঘটানোর পক্ষে যথেষ্ট নয়। এছাড়াও আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে উত্তর পশ্চিম এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম মধ্য ভাগে। উত্তরপ্রদেশের দক্ষিণ পূর্ব দিক এবং বিহার সংলগ্ন এলাকাতেও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। যদিও তেমন প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
কবে কবে বৃষ্টি?
বৃহস্পতিবার হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের কোনও কোনও অংশে। শুক্রবার হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোনও কোনও অংশে। শনি ও রবিবারও হাল্কা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেভাবে কোনও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই এই সপ্তাহে।
উত্তরবঙ্গে শুক্রবার হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। শনি এবং রবিবারও এই জেলাগুলিতেই বৃষ্টি চলবে। তারপর থেকে বৃষ্টি আরও কমবে।
কলকাতার তাপমাত্রা
কলকাতায় ভ্যাপসা গরম অব্যাহত থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপর। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ২৭-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ দিনের বেলায় হাঁসফাঁস করা গরমই অনুভূত হবে।