
মমতা বলেন, রাজ্যের প্রথম শিল্পনগরী পুরুলিয়ার জেলায়। এটা জঙ্গলসুন্দরী নাম দেওয়া নাম দেওয়া হয়েছে। গড়িয়া থেকে যাদবপুর পর্যন্ত উড়ালপুল। পার্ক সার্কাস পথচারীদের জন্য স্কাইওয়াক। পর্যটন শিল্পে উৎসাহ দিতে ইনসেনটিভ স্কিম।
মমতা বলেন, দেড় হাজার পার্শ্ব শিক্ষক নিয়োগ। দরিদ্র মাঝিদের আগামী অর্থবর্ষ থেকে হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। পথশ্রী প্রকল্প ১০ হাজার কিমি রাস্তা তৈরি হবে। নন্দীগ্রামে হলদিয়ার মধ্যে সংযোগকারী সেতু তৈরি করা হবে। কলকাতা থেকে বাসন্তী পর্যন্ত ৪ লেনের রাস্তা
মমতা বলেন, আইএএস ও আইপিএস পরীক্ষার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণকেন্দ্র। আগামী অর্থবর্ষ থেকে প্রত্যেক দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াকে ট্যাব দেওয়া হবে। যাত্রী পরিবহণে সব যানবাহনের ক্ষেত্রে ১ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত রোড ট্যাক্স সম্পূর্ণ মকুবের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
মমতা বলেন, নেতাজি রাজ্য যোজনা কমিশন গঠন করা হবে। পশ্চিমবঙ্গে ১০ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যসাথীতে নিয়ে আসা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বিনামূল্যে পেতে পারেন। এই প্রকল্প প্রতি বছর ধারাবাহিক ভাবে চলবে। এর জন্য দেড় হাজার কোটি কাটা বরাদ্দ। দুয়ারে সরকার ও পাড়ায় সমাধান বছরে দু বার করে হবে। মানুষের কাছে বিভিন্ন ভাবে পৌছানোর জন্য এই সরকার প্রশাসনিক সভা করছে
মমতা বলেন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সম্মানে আজাদ হিন্দ স্মারক নির্মাণ করছি। নিউটাউনে হবে এই স্মারক। এর জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দা। প্রতিটি জেলায় জয় হিন্দ ভবন নির্মাণ হবে। কলকাতা পুলিশে নতুন নেতাজি ব্যাটেলিয়ান। এর জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ
মাতৃবন্দনা নামে নতুন প্রকল্পের সূচনা। আগামী অর্থবর্ষে ৮৫০ কোটি টাকা ব্য়য়বরাদ্দের প্রস্তাব। কোভিডের জন্য অসংগঠিত ক্ষেত্র বিরাট ক্ষতি হয়েছে। ৪৫ হাজার শ্রমিককে ১০০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।
মমতা বলেন, কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পে সবাইকে নিয়ে আসা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকে বলা হয়েছে। ২৫ হাজার কোটি ঋনের ঘোষণা করা হয়েছে। মাতৃবন্দনা নামে নতুন কর্মসূচি করা হয়েছে। আরও স্বনির্ভরত গোষ্ঠীেক এর আওতায় নিয়ে আসা হবে। ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দা করা হবে।
মমতা বলেন, নেপালি, হিন্দ, উর্দু, কামতাপুরী জন্য ১০০টি নতুন স্কুল। ৩০০ প্যারা টিচার। চা বাগান এলাকায় ১০০টি নতুন স্কুল। ৩০০ জন প্যারা টিচার থাকবে। রাজবংশী ভাষায় ২০০টি বিদ্যালয়কে সরকারি অনুমোদন। আর্থিক ভাবে সাহায্যের জন্য ৫০ কোটি টাকা। তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য ২০ লাখ ঘর নির্মাণ। আগামী ৫ বছরের জন্য আরও নতুন বাড়ি নির্মান হবে। এর জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৫ থেকে বেড়ে ৬ হাজার টাকা
মমতা বলেন, ১০০ দিনে কাজে এক নম্বর। সংখ্যালঘু বৃত্তি প্রদানে এক নম্বর। ১০০ দিনে প্রকল্পে ১.১ কোটি মানুষকে কাজ দেওয়া হয়েছে। ৯.২৩ লাখ নতুন পাকা বাড়ি তৈরি হয়েছে বাংলা আবাস যোজনা প্রথম স্থান পেয়েছে। ২০ হাজার কিমি রাস্তা নির্মাণ করে দেশের মধ্যে প্রথম। রাজ্যের রাজস্ব আদায় ২.৯ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।
মমতা বলেন, করোনা অতিমারী, আম্ফান ও কেন্দ্রীয় বঞ্চনার হয়েছে বাংলা। বিশ্ব মানচিত্র বাংলা হয়ে উঠেছে নতুন গন্তব্য। অশোকনগরে তেলে নতুন অর্থনৈতিক দিক খুলেছে। অন্ডানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালি। বাংলা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক দিক হতে চলেছে
মমতা বলেন, আমি নিজেই ৫টা রেল বাজেট পেশ করেছি। বাজেটে সময়ে কেউ কোনও কথা বলে না। কিন্তু আমি জানি না, বিজেপি এই সদস্যরা কিছু জানেনা। ভালোভাবে আলোচনা না করে ৪-৫জন মিলে এখন এটা করছে।
মুখ্যমন্ত্রী কেন বাজেট পড়ছেন, প্রশ্ন তুলে হট্টগোল বিজেপি বিধায়কদের। ক্ষুব্ধ বিধানসভার স্পিকার।
অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করছেন মুখ্যমন্ত্রী, বয়কট করল বাম-কংগ্রেস, বিধানসভায় হট্টগোল শুরু।
একটু পরেই বাজেট পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেট বয়কট করেছে বাম ও কংগ্রেস।
বড় চমক দিয়ে আজ বাজেট পেশ করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। অসুস্থতার কারণে সম্ভবত এবার বাজেট পেশ করতে পারবেন না অমিত মিত্র। বেশ কিছু প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন মমতা। ইতিমধ্যে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, দুয়ারে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধানের মতো বেশ কিছু প্রকল্প সম্প্রতি নিয়ে এসেছিল রাজ্য সরকার।বড় চমক দিয়ে আজ বাজেট পেশ করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। অসুস্থতার কারণে সম্ভবত এবার বাজেট পেশ করতে পারবেন না অমিত মিত্র। বেশ কিছু প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন মমতা। ইতিমধ্যে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, দুয়ারে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধানের মতো বেশ কিছু প্রকল্প সম্প্রতি নিয়ে এসেছিল রাজ্য সরকার।