Advertisement

প্রতি মাসে মিলবে ১০ হাজার টাকা, নতুন স্কিম চালু করলেন শুভেন্দু, কারা পাবেন?

10,000 monthly pension: রাজ্যে নতুন যোজনা চালুর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যার আওতায় প্রতিমাসে ১০ হাজার করে টাকা পাবেন জরুরি অবস্থার সময়ে জেল খাটা ব্যক্তিরা।

প্রতি মাসে ভাতা হিসেবে মিলবে ১০ হাজার টাকাপ্রতি মাসে ভাতা হিসেবে মিলবে ১০ হাজার টাকা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Aug 2026,
  • अपडेटेड 7:46 AM IST
  • রাজ্যে ফের নতুন স্কিম চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • জরুরি অবস্থার সময়ে জেল খাটা ব্যক্তিদের জন্য একটি প্রকল্প চালুর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • ৩২৫ জনের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা পেনশন ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্যে ফের নতুন স্কিম চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার জরুরি অবস্থার সময়ে জেল খাটা ব্যক্তিদের জন্য একটি প্রকল্প চালুর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।  জরুরি অবস্থার সময়ে জেল খাটা ৩২৫ জনের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা পেনশন ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এর পাশাপাশি সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত এবং চিকিৎসা সহায়তাও দেওয়া হবে বলে রবিবার ঘোষণা করেন তিনি।

জরুরি অবস্থার সময় বন্দি হয়ে জেল খাটা ব্যক্তিদের  ‘পশ্চিমবঙ্গ গণতন্ত্র সেনানী সম্মান’ দিয়ে শুভেন্দু অদিকারী বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁদের আত্মত্যাগ মনে রাখা উচিত। তিনি বলেন, “সাহসী সেনানীদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল। নতুন রাজ্য সরকার এই সাহসী সেনানীদের আদর্শের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ফলে সরকারের চিহ্নিত ৩২৫ জনের প্রত্যেককে মাসে ১০ হাজার টাকা পেনশন দেওয়া হবে। এছাড়াও, তাঁরা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধাও পাবেন। একইসঙ্গে এই ৩২৫ জন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ১ হাজার টাকা চিকিৎসা সহায়তা পাবেন বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। কোনও সুবিধাভোগীর মৃত্যু হলে তাঁর স্ত্রী বা স্বামীকে এই সুবিধা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার ৯০ দিনের মধ্যেই সরকার তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে। ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন জারি হওয়া জরুরি অবস্থার কথা স্মরণ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সারা দেশে প্রায় ১ লক্ষ মানুষকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৫ হাজার মানুষ ছিলেন। গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার প্রতিবাদে যাঁদের বন্দি করা হয়েছিল, তাঁরা দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন বলেও জানান তিনি।

এছাড়াও, জরুরি অবস্থার সময়ের রাজনৈতিক বন্দিদের সংগঠন ‘লোকতন্ত্র সেনানি সংঘ’-এর সদস্যদের অধিকারী আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে তাঁদের গঠনমূলক পরামর্শ বিবেচনা করবে রাজ্য সরকার।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement