Advertisement

26000 Teachers Case in West Bengal: সেই ২৬ হাজার শিক্ষকের এ বার কী হবে? আজই তো শেষ সুপ্রিম কোর্টের ডেডলাইন

২৬,০০০ শিক্ষক নিয়োগের সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ডেডলাইন শেষ হচ্ছে চলতি মাসেই। কিন্তু আদালতের কাছে ইতিমধ্যেই আরও সময় চেয়েছে রাজ্য ও SSC। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই আজ শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।

২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ কবে? আজ শুনানি২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ কবে? আজ শুনানি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Aug 2026,
  • अपडेटेड 9:26 AM IST
  • ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জট অব্যাহত।
  • সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ৩১ অগস্টের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে ২৬ হাজার শিক্ষকের।
  • সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সচিন সচদেবার বেঞ্চে হবে শুনানি।

২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জট অব্যাহত। গত সরকারের আমলে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ৩১ অগস্টের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে ২৬ হাজার শিক্ষকের। কিন্তু আদালতের কাছে ইতিমধ্যেই আরও সময় চেয়েছে রাজ্য ও SSC। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই আজ শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।  সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সচিন সচদেবার বেঞ্চে হবে শুনানি। 

সূত্রের খবর, বর্তমান সরকার নিয়োগের জন্য আরও আট মাস সময়ের আবেদন করেছে। সেক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদনে সাড়া দিলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জন্য ৩১ মে পর্যন্ত সময় পাওয়া যাবে। তবে উল্লেখ্য বিষয় হল, ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত বেতন পাওয়ার কথা ছিল শিক্ষকদের। এবার সেই সময়সীমা আরও ৮ মাস বাড়ানো হলে, তারা বেতন পাবেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহে রয়েছে অনেকে।

কেন সুপ্রিম ডেডলাইনের মধ্যে নিয়োগ করা গেল না?

SSC-র তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ৩১ অগাস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ সম্পূর্ণ হচ্ছে না । এসএসসি-র চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানান, শীর্ষ আদালতে সময় চাইবে স্কুল সার্ভিস কমিশন। যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন তাঁদের নিয়োগ নিয়েও সংশয় থাকছে। জাতিগত সংরক্ষণ নীতি কার্যকরী করতে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে এসএসসি।

অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান, ইতিমধ্যেই দীর্ঘ বিলম্ব ঘটেছে। আমরা চাই দ্রুত সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ সুনিশ্চিত করা হোক।

কেন এই জটিল পরিস্থিতি?

নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছিল। নতুন করে নিয়োগের পরীক্ষার জন্য শীর্ষ আদালত রাজ্যকে প্রথমে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেও পরে তা বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ অগস্ট করেছিল। এবার সেই মেয়াদও বৃদ্ধির আবেদন করেছে কমিশন। এখন আদালতের রায়ের উপর নির্ভর করবে চাকরিপ্রার্থীদের পরবর্তী ভবিষ্যৎ।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement