Advertisement

Shyama Prasad Mukherjee: সিঙ্গুর আন্দোলন, কন্যাশ্রী OUT, শ্যামাপ্রসাদ IN, রাজ্যে স্কুল সিলেবাসে বড় বদল

স্কুলের পাঠ্যক্রমে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। এবার থেকে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে জায়গা পেতে চলেছেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে, অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের অধ্যায়।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, সিঙ্গুর আন্দোলন (ইনসেটে)শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, সিঙ্গুর আন্দোলন (ইনসেটে)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 05 Nov 2026,
  • अपडेटेड 9:40 AM IST
  • স্কুলের পাঠ্যক্রমে বড়সড় পরিবর্তন
  • পাঠ্যবইয়ে জায়গা পেতে চলেছেন শ্যামাপ্রসাদ
  • বাদ দেওয়া হচ্ছে সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ চ্যাপ্টার

পশ্চিমবঙ্গের স্কুলের পাঠ্যক্রমে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। এবার থেকে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে জায়গা পেতে চলেছেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে, অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের অধ্যায়। সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সংশোধিত পাঠ্যক্রমে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি পাঠ্যবইয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও অবদান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি থাকবে।

এতদিন অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে একটি অধ্যায় ছিল। সংশোধিত পাঠ্যক্রমে সেই অধ্যায়টি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কন্যাশ্রীর অধ্যায়ও। কন্যাশ্রী একটি শর্তসাপেক্ষ নগদ অর্থ সহায়তা প্রকল্প।

পাঠ্যক্রমে আরও কয়েকটি পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (ICT) একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম-সহ পৃথক বিষয় হিসেবে চালু করা হবে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য তৃতীয় ভাষার পাঠ্যবইও চালু করা হবে। এছাড়াও, প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের শুরুতে সম্পূর্ণ 'বন্দে মাতরম' গানটি ছাপানো হবে। পাঠ্যবইয়ের কাগজের গুণমানও উন্নত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। 

অন্যদিকে, নবম শ্রেণি পর্যন্ত নো-ডিটেনশন নীতি তুলে দেওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। এই বিষয়ে খুব শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন দীপক বর্মন।

এদিকে, ২০২৭ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সূচিতেও পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। কারণ, ওই সময় জনগণনার কাজ চলার সম্ভাবনা রয়েছে। জনগণনার কাজে স্কুলশিক্ষকদের নিয়োগ করতে হবে। ফলে পরীক্ষার সূচির সঙ্গে সেই কাজের সংঘাত এড়াতেই পরীক্ষার দিনক্ষণ পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) প্রস্তাব দিয়েছে, ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা ১৫ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত আয়োজন করা হোক।

Advertisement

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE) চতুর্থ সেমেস্টারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ২২ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ১৬ মার্চের পর আয়োজনের প্রস্তাব দিতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই পর্ষদের প্রস্তাবই সরকারের কাছে এসেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষার সংশোধিত সূচি ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement