Advertisement

SSC Scam: এবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুবীরেশ ভট্টাচার্য

এই তদন্তে ইতিমধ্যেই  এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, শান্তিপ্রসাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুবীরেশ। এসএসসি-র চেয়ারম্যান থাকাকালীন যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছিল। অথচ সিবিআইয়ের জেরায় সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারছিলেন না সুবীরেশ।

গ্রেফতার এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান। গ্রেফতার এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 19 Sep 2022,
  • अपडेटेड 4:13 PM IST
  • গ্রেফতার এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান।
  • ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এসএসসি-র চেয়ারম্যান ছিলেন।
  • বর্তমানে তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করল সিবিআই। এই তদন্তে ইতিমধ্যেই  এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, শান্তিপ্রসাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুবীরেশ। তিনি এসএসসি-র চেয়ারম্যান থাকাকালীন যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছিল। সিবিআইয়ের জেরায় পরস্পরবিরোধী দাবি করছিলেন সুবীরেশ। সে কারণে তাঁকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে নিতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এসএসসি-র চেয়ারম্যান ছিলেন সুবীরেশ। তাঁর আমলে শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। যোগ্য প্রার্থীরা সুযোগ পাননি। গত ২৪ অগাস্ট তাঁর বাঁশদ্রোণীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সিল করে সিবিআই। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়েও গিয়েছিল তদন্তকারীদের একটি দল। তাঁকে প্রায় ৯ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছিল। পরে সুবীরেশের কোয়ার্টারেও যায় সিবিআই।

মেইল করে সোমবার সকাল ১১টায় আসতে বলা হয়েছিল সুবীরেশকে। সিবিআইয়ের সমন পেয়ে নিজাম প্যালেসে হাজির হন। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের প্রশ্নে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি সুবীরেশ। তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি মিলেছে। তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হল।

তাৎপর্যপূর্ণ হল, সিবিআই জেরায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন, আধিকারিকদের উপরে তিনি ভরসা করেছিলেন। তাঁর কাছে যে ফাইল আসত, তাতে সই করতেন। কিন্তু কল্যাণময়ের বক্তব্য, উপরতলার নির্দেশে কাজ করতেন। তাঁর সই স্ক্যান করে রাখা হয়েছিল। সেই স্ক্যান করা সই ব্যবহার করা হত। সিবিআই সূত্রের খবর, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা দফতরের প্রাক্তন কর্তাদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী। সেক্ষেত্রে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। সুবীরেশকে হেফাজতে নেওয়া তাই জরুরি। পার্থ, কল্যাময়, শান্তিপ্রসাদ ও সুবীরেশকে একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করলেই তদন্তের অনেকখানি অগ্রগতি হবে। কার নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছিল, সেটা স্পষ্ট হবে তদন্তকারীদের কাছে।                                    

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement