
রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্যকে এবার জিজ্ঞাসাবাদ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর কল্যাণময়কে সোমবারবিধাননগরের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোননি। কেটে গিয়েছে ৮ ঘণ্টা।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় মেয়ে সোহিনীর স্বামী কল্যাণময়। থাকেন মার্কিন মুলুকের নিউইয়র্কে। এর আগে তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। ২৩ অগস্ট তাঁকে প্রথমবার তলব করা হয়েছিল। তবে বিদেশে থাকায় যাননি। পরে ১ সেপ্টেম্বর ফের আসতে বলা হয়। তবে বিদেশে থাকার কারণে হাজিরা দিতে পারেননি। সোমবার কলকাতায় ইডি দফতরে গেলেন কল্যাণময়।
সূত্রের খবর, কল্যাণময় ভট্টাচার্য শনিবার নিউইয়র্ক থেকে শহরে পৌঁছন। তাঁর মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ভারতে দেখেই সঙ্গে সঙ্গে নোটিস পাঠায় ইডি। সোমবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়। সকাল ১১টায় তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে যান।
ইডি সূত্রের খবর, পার্থর দুর্নীতির টাকা জামাইয়ের ব্যবসায় খাটানো হয়েছে কিনা সেটাই জানতে চান তদন্তকারীরা। পশ্চিম মেদিনীপুরে পিংলায় ৪৫ একর জমিতে বাবলি চ্যাটার্জি মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান ছিলেন কল্যাণময়। ওই স্কুলে কার টাকা বিনিয়োগ হয়েছে,তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠেছে প্রশ্ন। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নানা সূত্রে কল্যাণময় জমি কিনেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জমি থেকে নির্মাণসামগ্রীতে কিনতে নগদে টাকা দেওয়া হত বলেও জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কোথা থেকে এল কোটি কোটি টাকা? খোঁজ করছেন তদন্তকারীরা।