Advertisement

Real TMC Controversy: 'আসল তৃণমূল' কারা? কমিশনে চিঠিতে গুরুতর দাবি মমতার

Mamata Banerjee: তাঁর দাবি, কারা আসল তৃণমূল কংগ্রেস, এ সম্পর্কে যাবতীয় প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানালেন মমতা। গত ২২ জুন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কমিশনে। সেই চিঠি থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:57 AM IST
  • ঋতব্রতদের আর যেন সময় না দেওয়া হয়: মমতা
  • ঋতব্রতদের দু'বার সময় দেওয়া হয়েছে
  • মমতার গুরুতর অভিযোগ

মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস, নাকি ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূল কংগ্রেস,কোনটি আসল তৃণমূল, এই নিয়ে এখনও স্পষ্ট করেনি নির্বাচন কমিশন। যদিও বিধায়ক সংখ্যার নিরিখে এগিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরই। ইতিমধ্যে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার তকমাও পেয়েছেন ঋতব্রত। এহেন পরিস্থিতিতে এ বার কমিশনকে চিঠি দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঋতব্রতদের আর যেন সময় না দেওয়া হয়: মমতা

তাঁর দাবি, কারা আসল তৃণমূল কংগ্রেস, এ সম্পর্কে যাবতীয় প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানালেন মমতা। গত ২২ জুন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কমিশনে। সেই চিঠি থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। ওই চিঠির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন গত ২ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জবাব চায়। মমতা গত ৬ জুলাই কমিশনের দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই তাঁর জবাব জমা দেন। এখন তিনি দাবি করেছেন, ২৫ জুলাইয়ের সময়সীমার পর বিরোধী দলকে যেন আর কোনও সময় দেওয়া না হয়।

ঋতব্রতদের দু'বার সময় দেওয়া হয়েছে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে তিনি ২০২৬ সালের ৬ জুলাই ই-মেল এবং স্পিড পোস্টের মাধ্যমে কমিশন ও ঋতাব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর জবাব পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন প্রথমে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে জবাব দেওয়ার জন্য ১০ জুলাই পর্যন্ত অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় দেয়। পরে তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে ২৫ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। দু'বার সুযোগ দেওয়া হল ঋতব্রতকে।

মমতার গুরুতর অভিযোগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বর্ধিত সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে কোনও জবাব পাননি। তাঁর কথায়, 'আমার যুক্তির কোনও পাল্টা জবাব বিরোধীদের কাছে নেই বলেই বারবার সময় চাওয়া হয়েছে।' চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, বারবার সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সহযোগীরা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্যপ্রমাণ তৈরি করার সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁদের আনা মূল অভিযোগগুলির কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।

Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, এই বিতর্ক পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে। বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বজায় রাখতে আর কোনও বিলম্ব না করে নির্বাচন কমিশনের দ্রুত তদন্ত শেষ করা উচিত। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, এই তদন্ত ২০২৬ সালের ২ জুলাই শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি পুনরায় জানান, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় এবং ত্রিপুরায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অবস্থানে অটল রয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement