Advertisement

রোজ ৫০ বাড়ির টার্গেট, আয়ুষ্মান ভারতের ফর্ম বিলিতে চাপে আশাকর্মীরা

পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কাজে মোট ৫৮০ জন আশাকর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে ‘প্রি-ফিল’ আবেদনপত্র পাঠানো হচ্ছে। যাঁরা কেন্দ্রের খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় রেশন সুবিধা পান, তাঁদের নাম-সহ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। সেই ফর্ম নিয়েই আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই ও সংগ্রহ করছেন।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Jun 2026,
  • अपडेटेड 10:27 AM IST
  • আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে উপভোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে এবার আশাকর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে।
  • প্রকল্পের জন্য তিন ধরনের আবেদনপত্র তৈরি করা হলেও তার মধ্যে একটি ‘প্রি-ফিল’ ফর্মকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ।

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে উপভোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে এবার আশাকর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে। প্রকল্পের জন্য তিন ধরনের আবেদনপত্র তৈরি করা হলেও তার মধ্যে একটি ‘প্রি-ফিল’ ফর্মকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। এই আবেদনপত্রে উপভোক্তার নাম ও আধার নম্বর আগেই উল্লেখ করা রয়েছে। রেশন কার্ডের তথ্যের ভিত্তিতে সরকার নির্ধারিত উপভোক্তাদের কাছে এই ফর্ম পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আশাকর্মীদের।

প্রশাসনিক নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতাভুক্ত উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আর সেই লক্ষ্য পূরণে প্রত্যেক আশাকর্মীকে প্রতিদিন ৫০টি বাড়িতে গিয়ে ফর্ম বিলি ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের টার্গেট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এত অল্প সময়ে এই বিপুল কাজ কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কাজে মোট ৫৮০ জন আশাকর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে ‘প্রি-ফিল’ আবেদনপত্র পাঠানো হচ্ছে। যাঁরা কেন্দ্রের খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় রেশন সুবিধা পান, তাঁদের নাম-সহ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। সেই ফর্ম নিয়েই আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই ও সংগ্রহ করছেন।

এই কাজের জন্য আশাকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। সংগ্রহ করা আবেদনপত্রগুলি প্রথমে স্ক্রুটিনির মাধ্যমে যাচাই করা হবে। ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, সহ বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হবে। একাধিক স্তরের যাচাই-বাছাই শেষে আবেদনপত্রগুলি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। তবে তার পরবর্তী ধাপ কী হবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট নির্দেশিকা আসেনি। প্রশাসনের দাবি, এ বিষয়ে পরবর্তীতে নবান্ন থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে পুরসভার কাছে কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প বা অন্ত্যোদয় যোজনার আওতায় থাকা রেশন কার্ডধারীদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। নবান্ন থেকে প্রতিদিন নতুন তালিকা পাঠানো হচ্ছে। প্রতিটি লটে গড়ে প্রায় ৬০০টি করে ‘প্রি-ফিল’ আবেদনপত্র আসছে, যা দ্রুত উপভোক্তাদের হাতে পৌঁছে দিতে হচ্ছে।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে প্রতিদিন ৫০টি বাড়িতে পৌঁছনোর লক্ষ্য পূরণ করা আশাকর্মীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব না হলেও দিনে অন্তত ৩০টি পরিবারের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করতে হবে।

সূত্রের খবর, এই অতিরিক্ত কাজের জন্য আশাকর্মীদের বাড়তি সাম্মানিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই অর্থের পরিমাণ কত, কবে তা দেওয়া হবে কিংবা কীভাবে প্রদান করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি। ফলে কাজের চাপের পাশাপাশি পারিশ্রমিক নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে আশাকর্মীদের মধ্যে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement