Advertisement

ষষ্ঠীর আর মাত্র ১০০ দিন বাকি, মাটির পর এবার বাঁশের আকাল, ব্যাপক চাপে কুমোরটুলি

তাঁদের অভিযোগ, নদী কর্তৃপক্ষ এবং কলকাতা ওয়াটার পুলিশ রাজ্যের বিভিন্ন ঘাটে বাঁশ ভিজিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে।ফলে কারিগরদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিল্পীরা কুমারটুলি ঘাট, কুটি ঘাট, নবদ্বীপ, কাকদ্বীপ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঁশ সংগ্রহ করেন। কিন্তু জলে বাঁশ ভিজিয়ে রাখার অনুমতি না পেলে শক্তপোক্ত প্রতিমা তৈরি করা খুবই কঠিন। 

কুমোরটুলিতে প্রতিমা তৈরি হচ্ছে।-সংগৃহীত ছবিকুমোরটুলিতে প্রতিমা তৈরি হচ্ছে।-সংগৃহীত ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:48 AM IST
  • দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী আর মাত্র ১০০ দিন দূরে।
  • ঠিক এই সময়েই একের পর এক সমস্যায় জর্জরিত কলকাতার কুমারটুলি।

দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী আর মাত্র ১০০ দিন দূরে। ঠিক এই সময়েই একের পর এক সমস্যায় জর্জরিত কলকাতার কুমারটুলি। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা মাটির সংকট কাটতে না কাটতেই এবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে বাঁশের সমস্যা। প্রতিমাশিল্পীদের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না হলে প্রতিমা তৈরির কাজে বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে।

শিল্পীদের কথায়, মাটির জোগান স্বাভাবিক হলেও এখন সবচেয়ে বড় চিন্তা প্রতিমার কাঠামো তৈরির উপযোগী ভেজা বাঁশের অভাব। প্রতিমাশিল্পীরা জানাচ্ছেন, দুর্গা প্রতিমার কাঠামো তৈরিতে নদীর জলে ভেজানো বাঁশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুকনো বাঁশ দিয়ে কাঠামো তৈরি করলে তা দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে প্রতিমা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তাঁদের অভিযোগ, নদী কর্তৃপক্ষ এবং কলকাতা ওয়াটার পুলিশ রাজ্যের বিভিন্ন ঘাটে বাঁশ ভিজিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে।ফলে কারিগরদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিল্পীরা কুমারটুলি ঘাট, কুটি ঘাট, নবদ্বীপ, কাকদ্বীপ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঁশ সংগ্রহ করেন। কিন্তু জলে বাঁশ ভিজিয়ে রাখার অনুমতি না পেলে শক্তপোক্ত প্রতিমা তৈরি করা খুবই কঠিন। 

কারিগরদের বক্তব্য, প্যান্ডেল নির্মাণে শুকনো বাঁশ ব্যবহার করা গেলেও প্রতিমার কাঠামোর জন্য ভেজা বা আর্দ্র বাঁশের বিকল্প নেই। বাঁশ একবার পুরোপুরি শুকিয়ে হলুদ হয়ে গেলে তা দিয়ে আর ভালো প্রতিমা তৈরি করা যায় না।

অন্যদিকে, প্রশাসনেরও নিজস্ব যুক্তি রয়েছে। এক আধিকারিক জানান, ঘাটে দীর্ঘদিন বাঁশের স্তূপ পড়ে থাকলে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। নদী থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের সময় বাঁশে আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া বাঁশের আঁটি ঘাটের সিঁড়ি ও যাতায়াতের পথ আটকে দেয়। কখনও কখনও সেগুলি ঠিকমতো বাঁধা না থাকলে নদীতে ভেসেও যায়।

এর আগে দীর্ঘ ৬ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মাটির সঙ্কটের কারণে কুমারটুলিতে প্রতিমা তৈরির কাজ কার্যত থমকে গিয়েছিল। সেই সময় বহু শিল্পী বাধ্য হয়ে শ্রমিক ছাঁটাই করেছিলেন। গত ১০ দিনে মাটির সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় কাজ আবার গতি পেয়েছে এবং শ্রমিকরাও কাজে ফিরেছেন।

Advertisement

তবে সমস্যার এখানেই শেষ নয়। বর্ষার কারণে প্রতিমা শুকানোর কাজও ধীরগতিতে চলছে। ফলে হারিয়ে যাওয়া সময় পুষিয়ে নিতে এখন অনেক কর্মশালায় ডাবল শিফটে কাজ চলছে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement